রাষ্ট্রপতির অপসারণ ও গ্রেপ্তারের দাবিতে নাহিদ ইসলামের কঠোর বক্তব্য
নাহিদ ইসলামের রাষ্ট্রপতি অপসারণ ও গ্রেপ্তারের দাবি

রাষ্ট্রপতির অপসারণ ও গ্রেপ্তারের দাবিতে নাহিদ ইসলামের কঠোর অবস্থান

জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক ও সংসদে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ করে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাজশাহী টিচার্স ট্রেনিং কলেজ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত এনসিপির বিভাগীয় ইফতার অনুষ্ঠানে তিনি এই দাবি উত্থাপন করেন।

সংসদে রাষ্ট্রপতির বক্তব্যের বিরোধিতা

নাহিদ ইসলাম স্পষ্ট ভাষায় বলেন, 'আগামী ১২ মার্চ নতুন সংসদের অধিবেশন শুরু হবে। আমরা শুনতে পাচ্ছি, সেদিন ফ্যাসিস্ট এর রেখে যাওয়া লেজুড় রাষ্ট্রপতি বক্তব্য রাখবেন। আমরা পরিষ্কার বলতে চাই, ফ্যাসিস্ট রাষ্ট্রপতির বক্তব্য শোনার জন্য আমরা সংসদে যাচ্ছি না। আমরা সংসদে যাচ্ছি সংস্কার আদায় করার জন্য। কবে উচ্চ কক্ষ গঠন করা হবে সেটা দেখতে।'

তিনি জোর দিয়ে বলেন, 'আমরা বলেছি অবিলম্বে এই রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ করে গ্রেফতারের আওতায় আনতে হবে। সংবিধান সংস্কার পরিষদ করে সংস্কার বাস্তবায়ন করতে হবে। হ্যাঁ বাস্তবায়ন করতে হবে।'

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

শরীফ উসমান হাদী হত্যার বিচারের দাবি

নাহিদ ইসলাম শরীফ উসমান হাদী হত্যার বিচারের বিষয়েও কথা বলেন। তিনি বলেন, 'শরীফ উসমান হাদী হত্যার বিচার বাংলাদেশের মাটিতে হতেই হবে। ভারতে গ্রেফতার হওয়া আসামিদের বাংলাদেশের মাটিতে এনে বিচার কার্যকর করতে হবো। এবং সত্যিকার অর্থেই বিচার হতে হবে ন্যায় বিচার।'

তিনি আরও বলেন, 'যারা গুলি করেছে শুধু তারাই হত্যাকারী নয়। এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিল ডিপস্টেট ও দেশি বিদেশি যড়যন্ত্র। সেই ষড়যন্ত্র কে বাংলাদেশের মানুষের সামনে উন্মুক্ত করতে হবে। শুধু প্রত্যক্ষ নয় যারা পরোক্ষভাবে জড়িত ছিল তাদেরও বিচারের আওতায় আনতে হবে।'

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে মন্তব্য

ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধন করায় সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, 'দুর্নীতি বন্ধ না হলে, ঋণখেলাপি বন্ধ না হলে এই ফ্যামিলি কার্ড দেশের কোনো কাজে আসবে না।' তার মতে, অর্থনৈতিক সংস্কার ছাড়া এই ধরনের পদক্ষেপ কার্যকর হবে না।

এই বক্তব্যের মাধ্যমে নাহিদ ইসলাম সরকারের বিরুদ্ধে তার দলের অবস্থান আরও স্পষ্ট করেছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই দাবি আগামী সংসদ অধিবেশনে উত্তপ্ত বিতর্কের সূচনা করতে পারে।