অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর ঈদের বার্তা: গণতান্ত্রিক পরিবেশে ভিন্ন আনন্দ
অর্থমন্ত্রীর ঈদ বার্তা: গণতান্ত্রিক পরিবেশে ভিন্ন আনন্দ

অর্থমন্ত্রীর ঈদ বার্তা: গণতান্ত্রিক পরিবেশে ভিন্ন আনন্দের অভিজ্ঞতা

অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবারের ঈদুল ফিতরের আনন্দকে আগের ঈদের তুলনায় ভিন্ন হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, 'দেশে পরিবর্তিত পরিবেশে, একটি গণতান্ত্রিক পরিবেশে আমার মনে হয় এবারের ঈদের আনন্দটা একটু ভিন্ন। আমরা সবাই যে মালিকানা ফিরে পাওয়ার কথা ছিল, মনে হয় নির্বাচনের পরে বহুলাংশে সেটা ফিরে পেয়েছি।'

চট্টগ্রামে ঈদের নামাজ ও সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপ

আজ শনিবার সকালে চট্টগ্রাম নগরের উত্তর কাট্টলীর পাহাড়তলীর উত্তর কাট্টলী দারুস সালাম জামে মসজিদে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেন অর্থমন্ত্রী। নামাজ শেষে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তার দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, 'আমি মনে করি, আমাদের সকলের জন্য আজকে ঈদের আনন্দ তো আছেই। এই ঈদের আনন্দ একটু অতিরিক্ত আনন্দ উপভোগ করছি সবাই মিলে। আমরা যাতে এভাবেই থাকতে পারি। দেশটা যাতে এভাবেই থাকে।'

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মুক্ত পরিবেশের গুরুত্ব ও ঈদের আনন্দ

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী উল্লেখ করেন যে, মানুষ মুক্ত পরিবেশে না থাকলে ঈদের আনন্দ সেভাবে উপভোগ করতে পারে না। তিনি বলেন, 'সবাই মুক্ত অবস্থায় থাকতে পারে, মুক্তভাবে কথা বলতে পারে। মুক্তভাবে চলতে পারে। তার সব সাংবিধানিক, গণতান্ত্রিক, রাজনৈতিক অধিকার যাতে সে ভোগ করতে পারে।'

নামাজ আদায়ের পর অর্থমন্ত্রী পারিবারিক কবরস্থানে গিয়ে মা-বাবার কবর জিয়ারত করেন। এটি তার ঈদের দিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

দেশবাসীর প্রতি শুভেচ্ছা ও ভ্রাতৃত্ববোধ

দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে মন্ত্রী আমীর খসরু বলেন, 'এই ভালোবাসা ও ভ্রাতৃত্ববোধ আমাদের মধ্যে যেটি আছে, এটা যাতে অবিরতভাবে বাংলাদেশে চলতে থাকে। জাতি–ধর্মনির্বিশেষে সকলের জন্য যাতে এই অবিরত ধারা চলতে থাকে। সবাইকে ঈদ মোবারক।'

তার মতে, বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশের উন্নতি এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবারের ঈদকে বিশেষ মাত্রা দিয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, এই ধারা অব্যাহত থাকবে এবং দেশের সকল নাগরিক তাদের অধিকার ভোগ করতে পারবে।