নড়াইলে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, পুলিশ তদন্তে
নড়াইলে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে পতাকা উত্তোলন

নড়াইলে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের ঘটনা

নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের একটি ইউনিয়ন কার্যালয়ের সামনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে। আজ শনিবার সকালে লোহাগড়া উপজেলার মানিকগঞ্জ বাজারে নোয়াগ্রাম ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে এই পতাকা উত্তোলন অনুষ্ঠিত হয়। দলটির নেতা-কর্মীরা উপস্থিত থেকে এই কাজটি সম্পন্ন করেন এবং 'জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু' ও 'শেখ হাসিনা ভয় নাই, রাজপথ ছাড়ি নাই' বলে স্লোগান দেন।

পূর্ববর্তী ঘটনা ও সামাজিক মাধ্যমের ভূমিকা

এর আগে, ১৭ ফেব্রুয়ারি রাতে লোহাগড়া উপজেলা শহরের জয়পুর জামরুলতলা এলাকায় উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনেও জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়েছিল। সেই সময়ে কার্যালয়ের দেয়ালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি টাঙানো হয়েছিল। তবে, এই ঘটনার একটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার পর ছবি ও পতাকা সরিয়ে ফেলা হয়েছিল।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নড়াইল জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহসভাপতি কাজী আবদুল আলিমের নেতৃত্বে কয়েকজন নোয়াগ্রাম ইউনিয়নের মানিকগঞ্জ বাজারে স্থানীয় আওয়ামী লীগের কার্যালয় খুলেছিলেন। পরে ওই কার্যালয়ের সামনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয় এবং কিছু সময় পর তাঁরা সেখান থেকে চলে যান।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ফেসবুক পোস্ট ও পুলিশের তদন্ত

আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে স্লোগান দেওয়ার একটি ভিডিও ও কয়েকটি ছবি পোস্ট করে জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহসভাপতি কাজী আবদুল আলিম সকালে তাঁর ফেসবুক অ্যাকাউন্টে লিখেছেন, 'দীর্ঘ ১৮ মাস পরে নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলার অন্তর্গত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ৪ নম্বর নোয়াগ্রাম ইউনিয়ন মানিকগঞ্জ বাজার আঞ্চলিক কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে মহান একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে শুভ উদ্বোধন করলাম।'

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এ বিষয়ে লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুর রহমান বলেন, 'ঘটনাটি আমরা শুনেছি। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে খোঁজখবর নিয়ে দেখা হচ্ছে।' পুলিশ বর্তমানে ঘটনাটির তদন্ত করছে এবং সংশ্লিষ্ট সকল তথ্য সংগ্রহ করছে।

এই ঘটনা নড়াইল জেলার রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে এবং স্থানীয় পর্যায়ে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা সৃষ্টি করেছে। পুলিশের তদন্তের ফলাফল এখনও প্রকাশিত হয়নি, তবে স্থানীয় বাসিন্দারা এই ঘটনাকে গুরুত্বের সাথে নিচ্ছেন।