শরীফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ১৫ বার পিছিয়েছে
শরীফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল পিছিয়েছে

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান হাদিকে হত্যা মামলার অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল পিছিয়ে আগামি ২৮ জুন ধার্য করেছেন আদালত। এ নিয়ে মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার তারিখ ১৫ বার পিছিয়েছে।

তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার দিন পিছিয়ে যাওয়ার কারণ

মামলার অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন জমার দিন নির্ধারিত ছিল রবিবার (১৪ জুন)। তবে তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার আবদুল কাদির ভূঞা নির্ধারিত দিনে প্রতিবেদন জমা দিতে পারেননি। এ কারণে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ নতুন তারিখ হিসেবে ২৮ জুন নির্ধারণ করেন।

প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই রুকনুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

শরীফ ওসমান হাদির পরিচিতি ও ঘটনার বিবরণ

জুলাই অভ্যুত্থান এবং আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের দাবিতে আন্দোলনের মধ্য দিয়ে পরিচিতি পাওয়া শরীফ ওসমান হাদি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। গত বছরের ১২ ডিসেম্বর গণসংযোগে অংশ নিতে বিজয়নগর এলাকায় গেলে সন্ত্রাসীদের গুলিতে তিনি গুরুতর আহত হন।

মাথায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অস্ত্রোপচারের পর একই রাতে তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১৮ ডিসেম্বর তার মৃত্যুর খবর আসে।

মামলার তদন্ত ও অভিযোগপত্র

হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় ১৪ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের রাজধানীর পল্টন থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেন। পরে হাদির মৃত্যুর পর মামলায় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় হত্যার অভিযোগ যুক্ত করা হয়।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

প্রথমে থানা পুলিশ এবং পরে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে মামলার তদন্তভার হস্তান্তর করা হয়। তদন্ত শেষে গত ৬ জানুয়ারি সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পি, সাবেক ছাত্রলীগ কর্মী ফয়সাল করিম মাসুদসহ ১৭ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় ডিবি।

তবে অভিযোগপত্রে অসন্তোষ প্রকাশ করে ১৫ জানুয়ারি মামলার বাদী আদালতে নারাজি আবেদন করেন। আদালত আবেদন গ্রহণ করে অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দেন এবং মামলাটি তদন্তের জন্য অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) হস্তান্তর করেন।