শক্তি সাশ্রয়ে হাইকোর্টের ভার্চুয়াল কার্যক্রম: সপ্তাহে দুই দিন ভার্চুয়াল শুনানি
শক্তি সাশ্রয়ে হাইকোর্টের ভার্চুয়াল শুনানি সপ্তাহে দুই দিন

শক্তি সাশ্রয় ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় হাইকোর্টের ভার্চুয়াল শুনানি

বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং বিদ্যুৎ ও শক্তি সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ সপ্তাহে দুই দিন ভার্চুয়াল কোর্ট কার্যক্রম পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। রবিবার হাইকোর্ট বিভাগের প্রশাসন শাখা থেকে জারি করা একটি বিজ্ঞপ্তিতে এই নতুন পদক্ষেপের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে কী বলা হয়েছে?

প্রশাসনিক বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে এবং বিদ্যুৎ ও শক্তির সাশ্রয় নিশ্চিত করার জন্য এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। কোর্টস অ্যাক্ট, ২০২০ (অ্যাক্ট নম্বর ১১/২০২০) এবং আদালত কর্তৃক জারি করা অনুশীলন নির্দেশিকার আলোকে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে হাইকোর্ট বিভাগে সপ্তাহে দুই দিন ভার্চুয়াল শুনানি পরিচালনা করা হবে।

ভার্চুয়াল কার্যক্রমের গুরুত্ব ও প্রভাব

এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে আদালতের কার্যক্রমে ডিজিটাল রূপান্তরের একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে। ভার্চুয়াল শুনানি পরিচালনা শুধুমাত্র শক্তি সাশ্রয়ই নয়, বরং সময় ও সম্পদের দক্ষ ব্যবহারেও ভূমিকা রাখবে। এটি আইনী প্রক্রিয়ায় প্রযুক্তির একীকরণকে ত্বরান্বিত করতে পারে, যা দূরবর্তী অবস্থান থেকে আইনজীবী ও মামলাকারীর অংশগ্রহণ সহজতর করবে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

আদালত কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্তে কোভিড-১৯ মহামারীর সময় ভার্চুয়াল শুনানির সফল অভিজ্ঞতার প্রভাব থাকতে পারে। তখনও অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে আদালতের কার্যক্রম চালু রাখা হয়েছিল, যা এখন একটি স্থায়ী রূপ পেতে পারে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

কোর্টস অ্যাক্ট ২০২০-এর ভূমিকা

কোর্টস অ্যাক্ট, ২০২০ আইনী কাঠামো প্রদান করে যা ভার্চুয়াল আদালত কার্যক্রমের অনুমোদন দেয়। এই আইনের অধীনে, আদালত প্রযুক্তিগত সুবিধা ব্যবহার করে শুনানি পরিচালনা করতে পারে, যা বর্তমান সিদ্ধান্তের আইনী ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে। আদালতের অনুশীলন নির্দেশিকা এই প্রক্রিয়াকে আরও সুসংহত ও কার্যকর করে তুলবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সর্বোপরি, হাইকোর্টের এই পদক্ষেপ পরিবেশবান্ধব ও অর্থনৈতিকভাবে টেকসই আদালত ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সহায়ক হবে, যা দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন পরিকল্পনার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ।