মকবুল হত্যা মামলায় রিমান্ড শেষে ডিজিএফআই মহাপরিচালক কারাগারে প্রেরণ
মকবুল হত্যা মামলায় ডিজিএফআই মহাপরিচালক কারাগারে

মকবুল হত্যা মামলায় রিমান্ড শেষে ডিজিএফআই মহাপরিচালক কারাগারে প্রেরণ

বিএনপি কর্মী মকবুল হোসেন হত্যা মামলায় রিমান্ড শেষে প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদফতরের (ডিজিএফআই) মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। সোমবার (১৩ এপ্রিল) ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম তার জামিন আবেদন নাকচ করে এই আদেশ দেন। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই রুকনুজ্জামান কারাগারে পাঠানোর তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেফতার ও রিমান্ডের ধারাবাহিকতা

গত ২৫ মার্চ রাত সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) একটি টিম রাজধানীর মিরপুর এলাকা থেকে শেখ মামুন খালেদকে গ্রেফতার করে। পরদিন দেলোয়ার হত্যা মামলায় তার পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হয়। এরপর ৩১ মার্চ ছয় দিন, ৬ এপ্রিল তিন দিন এবং ৯ এপ্রিল মকবুল হত্যা মামলায় তার আরও তিন দিন এবং রবিবার এক দিনের রিমান্ড দেন আদালত।

রিমান্ড শেষে তাকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির উপপরিদর্শক (এসআই) কফিল উদ্দিন। শেখ মামুন খালেদের পক্ষে অ্যাডভোকেট মোরশেদ হোসেন শাহীন ও নজরুল ইসলাম পাখি জামিন চেয়ে শুনানি করেন, কিন্তু আদালত তা নাকচ করে দেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মামলার পটভূমি ও ঘটনার বিবরণ

মামলার বিবরণীতে বলা হয়েছে, ২০২২ সালের ১০ ডিসেম্বর একদফা দাবি আদায়ের কর্মসূচি ঘোষণা করে বিএনপি। এর আগে ৭ ডিসেম্বর ডিবির হারুন অর রশীদ, মেহেদী হাসান ও বিপ্লব কুমার বিএনপির নয়াপল্টন কার্যালয়ে অভিযান চালান। এই অভিযানে বিএনপি কার্যালয়ে ভাঙচুর চালানো হয় এবং কার্যালয়ের পাশে নেতাকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এতে মকবুল হোসেন নামে এক কর্মী গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর এই ঘটনায় মাহফুজুর রহমান নামে এক ব্যক্তি বাদী হয়ে শেখ হাসিনাসহ ২৫৬ জনের বিরুদ্ধে পল্টন মডেল থানায় মামলা করেন। এই মামলার প্রেক্ষাপটে শেখ মামুন খালেদের গ্রেফতার ও কারাগারে প্রেরণ একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে।

এই মামলার তদন্ত এখনও চলমান রয়েছে, এবং আদালতের পরবর্তী শুনানির জন্য তারিখ নির্ধারণ করা হবে। আইন বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এই ঘটনায় ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।