চট্টগ্রাম-কাপ্তাই সড়কে সংঘর্ষে অটোরিকশা চালক নিহত, বিক্ষুব্ধ জনতা দুটি বাসে আগুন
চট্টগ্রাম-কাপ্তাই সড়কে সংঘর্ষে অটোরিকশা চালক নিহত

চট্টগ্রাম-কাপ্তাই সড়কে সংঘর্ষে অটোরিকশা চালক নিহত, বিক্ষুব্ধ জনতা দুটি বাসে আগুন দিয়েছে

চট্টগ্রাম-কাপ্তাই সড়কে এক ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় একজন অটোরিকশা চালক নিহত এবং আরেকজন যাত্রী গুরুতর আহত হয়েছেন। এই ঘটনার পর বিক্ষুব্ধ জনতা দুটি বাসে আগুন দিয়েছে, যার ফলে সড়কে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে। রোববার রাত পৌনে ১১টার দিকে রাউজান উপজেলার উরকিরচর ইউনিয়নের মাইজ্যে মিয়ার ঘটা এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে।

দুর্ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ

প্রত্যক্ষদর্শী স্বেচ্ছাসেবী সংগঠক রাশেদুল ইসলাম জানান, একটি সিএনজি চালিত অটোরিকশা ওভারটেক করার সময় কাপ্তাই থেকে ছেড়ে আসা সৌদিয়া পরিবহনের একটি বাসের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের ফলে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই চালক নজরুল ইসলাম (৪০) নিহত হন। আহত যাত্রীসহ অন্যান্যদের সহযোগিতায় অটোরিকশা থেকে বের করা হয়।

নিহত নজরুল ইসলাম রাউজান উপজেলার পশ্চিম গুজরা ইউনিয়নের মীরধার পাড়া গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। দুর্ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলেও, বিক্ষুব্ধ জনতা সৌদিয়া পরিবহনের বাসটিতে আগুন ধরিয়ে দেয়। এই সময় পাশে থাকা চন্দ্রঘোণা থেকে ছেড়ে আসা কর্ণফুলী এক্সপ্রেস নামক আরেকটি বাসেও আগুন ছড়িয়ে পড়ে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের তৎপরতা

নোয়াপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক মামুন ভুঁইয়া বলেন, "দুর্ঘটনায় অটোরিকশা চালক নিহত হয়েছে এবং বিক্ষুব্ধ জনতা দুটি বাসে আগুন দিয়েছে। আমরা গাড়ি চলাচল স্বাভাবিক করতে কাজ করছি।" অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছেন।

এই প্রতিবেদন লেখার সময় পর্যন্ত, অর্থাৎ রাত ১২টার দিকেও, সড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, আগুনে পুড়ে দুটি বাস প্রায় ছাই হয়ে গেছে, যা এলাকায় আতঙ্ক ও উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

দুর্ঘটনার প্রভাব ও স্থানীয় প্রতিক্রিয়া

এই ঘটনা চট্টগ্রাম-কাপ্তাই সড়কে নিরাপত্তা সংক্রান্ত উদ্বেগ বাড়িয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে কঠোর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন। এছাড়া, আহত যাত্রীকে দ্রুত চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসন ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং যান চলাচল পুনরায় চালু করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে। তবে, বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করছে।