রাজধানী ঢাকায় আজকের কর্মসূচি: আইনমন্ত্রী থেকে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী পর্যন্ত
রোববার, ১২ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে রাজধানী ঢাকায় সরকার, বিভিন্ন দপ্তর, রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠনের উদ্যোগে নানা গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। প্রতিদিনের মতো আজও ঢাকার বিভিন্ন স্থানে বেশ কয়েকটি উল্লেখযোগ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে, যা দেশের রাজনৈতিক, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতের জন্য বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।
আইনমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন
আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বিকাল ৩টায় সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখবেন। এই সম্মেলনে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ জাতীয় সংসদে পাস সংক্রান্ত বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও বিবৃতি উপস্থাপন করা হবে। এটি আইন বিভাগের একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে, যা দেশের আইনি প্রক্রিয়ায় নতুন মাত্রা যোগ করবে।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর টিকাদান ক্যাম্পেইন
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত সকাল ৮টায় বনানীর কড়াইলের এরশাদ মাঠে ‘জরুরি হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। এই ক্যাম্পেইন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ১০টি অঞ্চলে পরিচালিত হবে, যা জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় একটি বড় ধরনের উদ্যোগ হিসেবে চিহ্নিত। হাম ও রুবেলা রোগের প্রাদুর্ভাব রোধে এই টিকাদান কার্যক্রম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
বিএমইউ উপাচার্যের সেমিনার
বাংলাদেশ মেডিকেল ইউনিভার্সিটির (বিএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ ডা. মিল্টন হলে একটি জনস্বাস্থ্য বিষয়ক সেমিনার ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করবেন। এই সেমিনারে হামের প্রাদুর্ভাব, পুনরুত্থান, টিকাদান কার্যক্রম এবং প্রতিরোধে নতুন চ্যালেঞ্জ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে, যা চিকিৎসা শিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।
১১ দলীয় ঐক্যের মতবিনিময় সভা
১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে বেলা ১১টায় ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ-এর মুক্তিযোদ্ধা হলরুমে ‘জুলাই শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের’ সঙ্গে একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হবে। এই সভায় জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন, যা রাজনৈতিক সংলাপ ও ঐক্যের একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
এই কর্মসূচিগুলো ঢাকার দৈনন্দিন কর্মকাণ্ডে বৈচিত্র্য ও গতিশীলতা যোগ করছে, যা দেশের বিভিন্ন খাতের উন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।



