রাকিব হত্যা মামলায় প্রধান আসামির সহকারীসহ চারজন গ্রেপ্তার
রাকিব হত্যা মামলায় প্রধান আসামির সহকারীসহ গ্রেপ্তার

রাকিব হত্যা মামলায় প্রধান আসামির সহকারীসহ চারজন গ্রেপ্তার

রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে কনটেন্ট ক্রিয়েটর রাকিবুল ইসলাম হত্যা মামলায় প্রধান আসামির সহকারী সাগরসহ মোট চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) বিকেলে পটুয়াখালী ও খুলনাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। শাহবাগ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. কামরুজ্জামান রাতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেপ্তারের বিস্তারিত বিবরণ

ওসি মো. কামরুজ্জামান গণমাধ্যমকে জানান, টিকটকার রাকিব হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত সন্দেহে চারজনকে খুলনা ও পটুয়াখালীসহ বিভিন্ন স্থান থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদেরকে ঢাকায় নিয়ে আসা হচ্ছে আরও তদন্তের জন্য। এই গ্রেপ্তারগুলি গত ১৫ মার্চ রাত সাড়ে ৯টায় ঘটে যাওয়া হত্যাকাণ্ডের পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে দেখা যাচ্ছে।

হত্যাকাণ্ডের পুনর্বিবরণ

গত ১৫ মার্চ রাত সাড়ে ৯টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের বেদীর সামনে রাকিবুল ইসলামকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। নিহত রাকিব শিববাড়ি স্টাফ কোয়ার্টারের খোকন মিয়ার ছেলে ছিলেন। প্রত্যক্ষদর্শী মো. ঈশানের বর্ণনা অনুযায়ী, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে তিন থেকে চার জন যুবক রাকিবের মাথায় গুলি করে এবং পেটের ডান পাশে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আহত করে পালিয়ে যায়।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

রক্তাক্ত অবস্থায় রাকিবকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়, যেখানে তিনি মারা যান। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে দেখা গেছে, তার শরীরে অন্তত পাঁচটি গভীর কোপের চিহ্ন এবং পিঠ ও পেটে গুলির ক্ষত রয়েছে। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, মোটরসাইকেল পার্ক করার পরপরই ওত পেতে থাকা ৫-৬ জন সশস্ত্র হামলাকারী তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

রাকিবুল ইসলামের পরিচয়

রাকিবুল ইসলাম ফেসবুক ও ইউটিউবে 'রাকিব আহম্মেদ' নামে কনটেন্ট তৈরি করতেন এবং স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার হত্যাকাণ্ডটি সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে, এবং পুলিশ এখন তদন্ত জোরদার করে অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনতে কাজ করছে।