চট্টগ্রামে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি ও হামলার মামলা
চাঁদা দাবি ও হামলার মামলায় ইউপি চেয়ারম্যান অভিযুক্ত

চট্টগ্রামে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবি ও হামলার মামলা

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলায় একটি ইটভাটার মালিকের কাছে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি ও হামলার অভিযোগে এক ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এই মামলাটি করেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মো. শফিউল আলম।

মামলার বিবরণ ও অভিযোগ

মামলায় উপজেলার হারুয়ালছড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন চৌধুরীকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। তার সহযোগী আলাউদ্দিনসহ অজ্ঞাত পরিচয় আরও ২-৩ জনকে এতে বিবাদী করা হয়। বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. ওসমান গনি জানান, চাঁদা দাবি ও হামলার বিষয়টি আমলে নিয়েছেন আদালত। আদালত মামলাটি ভূজপুর থানার ওসিকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গত ১১ ফেব্রুয়ারি সকালে বিবাদীরা ভুক্তভোগীর এনএস ব্রিক ফিল্ডে গিয়ে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন এবং চার দিনের সময় দিয়ে চলে যান। পরবর্তীতে ১৫ ফেব্রুয়ারি বিকালে তারা পুনরায় ব্রিক ফিল্ডে এসে একই পরিমাণ চাঁদা দাবি করে। এ সময় তারা ভুক্তভোগী শফিউলকে শার্টের কলার ধরে টানাহেঁচড়া ও মারধর করে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এদিন চাঁদা না পেয়ে তারা প্রতিষ্ঠানের ইঞ্জিন ও বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাঙচুর করে প্রায় ৫০ হাজার টাকার ক্ষতিসাধন করে। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী শারীরিক ও আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

আদালতের পদক্ষেপ ও পরবর্তী অবস্থা

আদালত মামলাটি গ্রহণ করে থানাকে দ্রুত তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। আইনজীবী ওসমান গনি বলেন, "এই ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী, থানা তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করবে, যা মামলার অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।"

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এই ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়েছে এবং নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে দ্রুত বিচার দাবি করা হচ্ছে। ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ সাম্প্রতিক সময়ে একটি আলোচিত বিষয় হয়ে উঠেছে, যা স্থানীয় প্রশাসনের নজরে এসেছে।

মামলার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং ভুক্তভোগী পক্ষ আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। এই ঘটনা স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে বলে জানা গেছে।