খুলনায় ব্যবসায়ী শেখ সোহেলকে গুলি করে হত্যা, পুলিশ তদন্তে তৎপর
খুলনায় ব্যবসায়ী শেখ সোহেলকে গুলি করে হত্যা

খুলনায় ব্যবসায়ী শেখ সোহেলকে গুলি করে হত্যা: পুলিশ তদন্তে তৎপর

খুলনা নগরীর খানজাহান আলী থানার আফিলগেট পেট্রলপাম্পসংলগ্ন একটি মোটরসাইকেল গ্যারেজে আজ বৃহস্পতিবার বেলা সোয়া তিনটার দিকে এক নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। এ ঘটনায় শেখ সোহেল (৪১) নামে এক ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। নিহত শেখ সোহেল খানজাহান আলী থানাধীন আটরা শেখপাড়া এলাকার বাসিন্দা বাচ্চু শেখের ছেলে ছিলেন। তিনি মাছের ঘের ও ইন্টারনেট ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে জানা গেছে।

ঘটনার বিবরণ

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, আজ বেলা আড়াইটার দিকে আফিলগেট এলাকার বিসমিল্লাহ মোটর গ্যারেজে মোটরসাইকেল মেরামতের জন্য আসেন শেখ সোহেল। বেলা সোয়া তিনটার দিকে একটি মোটরসাইকেলে করে আসা দুই যুবক তাঁকে লক্ষ্য করে পরপর চার থেকে পাঁচটি গুলি ছোড়েন। গুলির শব্দে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং স্থানীয় লোকজন ছোটাছুটি করতে থাকেন।

প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজনের বর্ণনা অনুসারে, একপর্যায়ে হামলাকারীদের একজন কাছ থেকে তাঁর মাথা লক্ষ্য করে গুলি করেন। এতে ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েন শেখ সোহেল এবং সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। এই হামলার ফলে এলাকায় ভীতির সৃষ্টি হয়েছে এবং স্থানীয় বাসিন্দারা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পুলিশের পদক্ষেপ

খানজাহান আলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাওলাদার সানওয়ার হুসাইন মাসুম ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, দুজন যুবক শেখ সোহেলকে গুলি করে হত্যা করেছে এবং ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি নিয়েছে। পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হয়েছে এবং ঘটনার কারণ জানার চেষ্টা করছে পুলিশ।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ওসি মাসুম আরও উল্লেখ করেছেন যে, হামলাকারীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য তদন্ত চলছে। পুলিশ এলাকায় নজরদারি বাড়িয়েছে এবং সম্ভাব্য সাক্ষীদের সন্ধান করছে। এই হত্যাকাণ্ডের পেছনের মোটিভ এখনও অস্পষ্ট থাকলেও, পুলিশ দ্রুত বিচারের আশ্বাস দিয়েছে।

স্থানীয় প্রতিক্রিয়া

এই ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দারা গভীর শোক ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। অনেকেই এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন। ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ও এই হত্যাকাণ্ডের নিন্দা করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দ্রুত পদক্ষেপ কামনা করেছেন।

খুলনা বিভাগে সাম্প্রতিক সময়ে অপরাধের হার নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে, এবং এই ঘটনা তা আরও তীব্র করেছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও পুলিশের সমন্বিত প্রচেষ্টা অপরাধ দমনে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।