কুমিল্লার লালমাই উপজেলায় একটি দোকানের ভেতরে আটকে রেখে সপ্তম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। রোববার দুপুরে উপজেলার যুক্তিখোলা ফাজিল মাদ্রাসার ওই ছাত্রী যুক্তিখোলা বাজারের একটি দোকানে মোবাইল রিচার্জ করতে গেলে দোকান মালিক এনায়েত উল্লাহ তাকে আটকে ফেলে এবং ধর্ষণ করে।
ঘটনার বিবরণ
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৩ বছর বয়সী ওই ছাত্রী রোববার দুপুরে এনায়েত টেলিকম নামের দোকানে মোবাইল রিচার্জ করতে যায়। দোকানের মালিক এনায়েত উল্লাহ তাকে ধর্ষণ করে এবং পরে দোকান বন্ধ করে পালিয়ে যায়। ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দারা বিক্ষুব্ধ হয়ে সড়ক অবরোধ করেন। তারা অভিযুক্তের অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও কঠোর শাস্তির দাবি জানান।
পুলিশের তৎপরতা
খবর পেয়ে লালমাই থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরুজ্জামান বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং অভিযুক্তকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলে পরিস্থিতি শান্ত হয়। ওসি জানান, তারা অভিযুক্ত এনায়েত উল্লাহকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
স্থানীয়দের প্রতিক্রিয়া
ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। স্থানীয় অভিভাবক, সচেতন মহল ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীর সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। তারা বলেন, এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।



