দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর (আইডিএফ) নর্দার্ন কমান্ডের প্রধান মেজর জেনারেল রাফি মিলোর গাড়ি বহরে হিজবুল্লাহ ড্রোন হামলা চালায়। তবে হামলার কিছুক্ষণ আগেই তিনি লক্ষ্যবস্তু গাড়ি থেকে নেমে যাওয়ায় প্রাণে রক্ষা পান। এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
ঘটনার বিবরণ
দখলদার রাষ্ট্রটির সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম কান এর তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ লেবাননের একটি গ্রাম পরিদর্শনে গিয়েছিলেন মেজর জেনারেল মিলো। ওই সময় তিনি কয়েকজন ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তার সঙ্গে মাঠপর্যায়ের পরিদর্শন কার্যক্রমে অংশ নিয়েছিলেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মিলো ও তার এক সহকারী গাড়ি থেকে নামার কিছুক্ষণ পর একটি বিস্ফোরকবাহী ফার্স্ট-পারসন-ভিউ ড্রোন তাদের গাড়িতে আঘাত হানে। এতে গাড়িটি ক্ষতিগ্রস্ত হলেও তারা অক্ষত থাকেন।
ইসরায়েলের প্রতিক্রিয়া
ইসরায়েলি সামরিক কর্তৃপক্ষ সংবাদটি প্রকাশের অনুমতি দেওয়ার পর ঘটনাটি সামনে আসে। দেশটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে হিজবুল্লাহ ইচ্ছাকৃতভাবে আইডিএফের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের লক্ষ্যবস্তু বানাতে চাচ্ছে। গত সপ্তাহে কান জানিয়েছিল, ইসরায়েলের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের গতিবিধির ওপর কড়া নজর রাখছে হিজবুল্লাহ। সংগঠনটি ড্রোন ও অন্যান্য ইউএভি ব্যবহার করে সমন্বিত হামলার মাধ্যমে ইসরায়েলের কমান্ড ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে দুর্বল করার চেষ্টা করছে। জেনারেল রাফিকে লক্ষ্য করে চালানো হামলাকে সেই পরিকল্পনারই ধারাবাহিকতা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এই ঘটনা প্রমাণ করে যে, হিজবুল্লাহ তাদের কৌশলগত লক্ষ্য অর্জনে ড্রোন প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে দিয়েছে। ইসরায়েলি বাহিনীও তাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার চেষ্টা করছে, তবে এই ধরনের হামলা ভবিষ্যতে আরও বাড়তে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মত প্রকাশ করছেন।



