বরিশালে প্রেমিকের বাসা থেকে এক তরুণীর (১৯) লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তাকে বাসায় ডেকে এনে হত্যা করে প্রেমিক পালিয়ে গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ঘটনার বিবরণ
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) নগরীর বগুড়া রোডের অক্সফোর্ড মিশন প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন রাফি মঞ্জিলে এ ঘটনা ঘটে। নিহত তরুণী পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার বাসিন্দা ও নার্সিং কলেজের শিক্ষার্থী বলে জানা গেছে।
ঘটনার পর থেকে পলাতক প্রেমিক মইনুল ইসলাম হিমু। তিনি ঝালকাঠির কাটপট্টি রোড এলাকার মিল্টন আকনের ছেলে। মা চাকরি করার সুবাদে তারা নগরীর বগুড়া রোডের মুন্সি গ্যারেজ এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করেন।
অভিযুক্ত প্রেমিকের মায়ের বক্তব্য
অভিযুক্ত প্রেমিক হিমুর মা জানান, হিমুর সঙ্গে ওই তরুণীর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তবে গোপনে অন্য ছেলের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়ায় তরুণী। বিষয়টি তার ছেলে জানতে পেরেছে। তবে তার ছেলে তাকে হত্যা করেছে কিনা, এ বিষয়ে তিনি নিশ্চিত নন।
তিনি বলেন, অসুস্থতার কারণে বৃহস্পতিবার সকালে মেয়ের বাসায় যাই। তখন ওই মেয়ে আমাদের বাসায় আসে। দুপুরে বাসায় এসে দরজায় তালা দেওয়া দেখি আমি। তালা খুলে ভেতরে ঢুকতেই দেখতে পাই বিছানার ওপর মেয়েটির নিথর দেহ পড়ে আছে। এরপর থেকে ছেলেকে একের পর এক ফোন করলেও মোবাইল নম্বর বন্ধ পাই। ঘরে মেয়েটি আর হিমু ছাড়া আর কেউ ছিল না।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্ত
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হিমু ইতঃপূর্বে অপসোনিন ফার্মায় চাকরি করতেন। সেখান থেকে চাকরি চলে যায়। এর আগে বিয়েও করেছিলেন। ওই স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম বলেন, বিকালে খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পর থেকে হিমু পলাতক। ধারণা করছি, প্রেমিকাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। হিমুকে আটক করতে পারলে আসল ঘটনা বেরিয়ে আসবে।



