মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রীর বিবৃতিতে জিয়াউর রহমানের অবদান স্মরণ
মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রীর বিবৃতিতে জিয়াউর রহমানের স্মরণ

স্বাধীনতার পর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে রাষ্ট্রক্ষমতায় এসে জিয়াউর রহমান যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনে আত্মনিয়োগ করেন বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান। তিনি বলেন, শহীদ জিয়ার নেতৃত্বে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার, বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা এবং উৎপাদনমুখী উন্নয়ন কর্মসূচির মাধ্যমে বাংলাদেশের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়।

শনিবার (৩০ মে) ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা জানান। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে ৩০ মে একটি বেদনাবিধুর ও শোকাবহ দিন। এ দিনে জাতি হারিয়েছিল স্বাধীনতা যুদ্ধের একজন বীর সেনানায়ক, সফল রাষ্ট্রনায়ক এবং আধুনিক বাংলাদেশের অন্যতম রূপকারকে।

তিনি বলেন, গ্রামীণ অর্থনীতির বিকাশ, খাল খনন কর্মসূচি, গণশিক্ষার প্রসার এবং আত্মনির্ভরশীল রাষ্ট্র গঠনের ক্ষেত্রে শহীদ জিয়ার অবদান আজও স্মরণীয়। একই সঙ্গে ‘সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়’—এই পররাষ্ট্রনীতির সফল বাস্তবায়নের মাধ্যমে তিনি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের মর্যাদা বৃদ্ধি করেছিলেন এবং দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা (সার্ক) গঠনের উদ্যোগেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ, দেশপ্রেম, সততা ও কর্মনিষ্ঠা নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। তার শাহাদাতবার্ষিকীতে বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে সবাইকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ