বন্ধ টেক্সটাইল ও জুটমিল পুনরায় চালুর প্রক্রিয়া শুরু, কর্মসংস্থান ও অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব আশা
বন্ধ টেক্সটাইল ও জুটমিল পুনরায় চালুর প্রক্রিয়া শুরু

বন্ধ টেক্সটাইল ও জুটমিল পুনরায় চালুর প্রক্রিয়া শুরু

বর্তমান সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দেশের সব বন্ধ টেক্সটাইল ও জুটমিল পুনরায় সচল করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে নরসিংদীর পলাশ উপজেলার কো-অপারেটিভ জুট মিলস পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের এ কথা জানান। এরপর তিনি ঘোড়াশালের বাংলাদেশ জুট মিলস পরিদর্শনে যান।

পিপিপি মডেলে মিল পরিচালনা ও বিনিয়োগ উৎসাহ

প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম বলেন, বন্ধ মিলগুলো পুনরায় চালুর উদ্দেশ্যে ইতিমধ্যে টেন্ডার প্রক্রিয়া এবং প্রাথমিক ইওআই সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে এসব প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ের চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য অপেক্ষা করছে। মিলগুলো চালু হলে স্থানীয়ভাবে কর্মসংস্থান ও উৎপাদনমুখী হওয়াসহ অর্থনীতির সহায়ক হবে। সরকার মূলত পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) বা বেসরকারি শিল্পোদ্যোক্তাদের মাধ্যমে এই মিলগুলো পরিচালনা করতে আগ্রহী।

দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগে উৎসাহিত করার মাধ্যমে এই শিল্পাঞ্চলগুলোকে আবার সচল করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যাতে জাতীয় অর্থনীতিতে গতি আসে। প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, একসময় নরসিংদীর এই শিল্পকারখানাগুলোতে হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থান ছিল। এটি ছিল এ এলাকার মানুষের কাছে আবেগের বিষয়।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

স্থানীয় কর্মসংস্থান ও জীবন-জীবিকার উন্নয়ন

মিলগুলো পুনরায় চালু হলে সাধারণ জনবলের ক্ষেত্রে প্রায় শতভাগ কর্মসংস্থান স্থানীয় পর্যায় থেকে নিশ্চিত করা হবে। তবে কারিগরি বা বিশেষজ্ঞ পদের জন্য প্রয়োজন হলে বাইরে থেকে লোক নিয়োগ দেওয়া হতে পারে। এই উদ্যোগ স্থানীয়দের জীবন-জীবিকার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সোনালি আঁশের যুগ পুনরুদ্ধারে কর্মসূচি

সোনালি আঁশের যুগ পুনরুদ্ধারে নানাবিধ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সোনালি আঁশ ছিল আমাদের ঐতিহ্য। এটা অনেকটা কমে এসেছে, হারিয়ে যাচ্ছে। এটাকে পুনরুদ্ধারের জন্য নানাবিধ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। পাটবীজের মানোন্নয়ন ও গবেষণার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিশেষত প্রতিবেশী দেশ থেকে আসা বীজের তুলনায় দেশি বীজের ফলন যাতে প্রতিযোগিতামূলক হয়, সে লক্ষ্যে বাংলাদেশ জুট রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (বিজেআরআই) সঙ্গে কাজ চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া পাটচাষিরা যাতে পাটের ন্যায্য মূল্য পায় সেদিকেও নজর দেওয়া হচ্ছে।

এই উদ্যোগের মাধ্যমে সরকার আশা করছে যে, শিল্পখাতের পুনরুজ্জীবন স্থানীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করবে এবং দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।