চিফ হুইপ নূরুল ইসলামকে নিয়ে বিভ্রান্তিমূলক তথ্য প্রচার মামলায় কনটেন্ট ক্রিয়েটর নাসিমের জামিন মঞ্জুর
চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মামলায় কনটেন্ট ক্রিয়েটরের জামিন মঞ্জুর

চিফ হুইপ নূরুল ইসলামকে নিয়ে বিভ্রান্তিমূলক তথ্য প্রচার মামলায় কনটেন্ট ক্রিয়েটরের জামিন মঞ্জুর

জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনিকে নিয়ে বিভ্রান্তিমূলক তথ্য প্রচারের অভিযোগে ঢাকার গুলশান থানায় করা মামলায় কনটেন্ট ক্রিয়েটর এ এম হাসান নাসিমের জামিন আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত আসামিকে এক হাজার টাকা মুচলেকায় জামিন প্রদানের আদেশ দেন।

আদালতের শুনানি ও সিদ্ধান্ত

আসামিপক্ষের আইনজীবী জহিরুল ইসলাম জামিন চেয়ে শুনানি পরিচালনা করেন, যেখানে রাষ্ট্রপক্ষ এর বিরোধিতা করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আসামির এক হাজার টাকার মুচলেকায় জামিন মঞ্জুর করেন। ঢাকা মহানগর প্রসিকিউশন বিভাগের উপরিদর্শক মোক্তার হোসেন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেফতার ও পূর্ববর্তী কার্যক্রম

এর আগে গত ১৭ এপ্রিল রাত ৮টার দিকে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানাধীন এলাকার ভাড়াটিয়া বাসা থেকে আসামি নাসিমকে গ্রেফতার করা হয়। পরিদন আসামির রিমান্ড ও জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন এবং জামিন শুনানির জন্য মঙ্গলবার দিন নির্ধারণ করেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মামলার অভিযোগের বিবরণ

মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১১ এপ্রিল রাত সাড়ে ১১টার দিকে গুলশানে নিজ বাসায় অবস্থানকালে বাদী মো. নজরুল ইসলাম দেখতে পান বরগুনা-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনিকে ব্ল্যাকমেইল করার উদ্দেশ্যে 'সাগর থেকে ৩টা তিমি মাছ নিয়ে এসেছি, ২টা হাঙর আসতেছে ইনশাআল্লাহ, সবার দাওয়াত: চিফ হুইপ' এই ক্যাপশনে ফেসবুকে পোস্ট করা হয়েছে।

পরবর্তীকালে ওই ফেসবুক আইডি থেকে বিভিন্ন তারিখ ও সময়ে বিভ্রান্তিমূলক তথ্য প্রকাশ ও প্রচার করতে থাকে। অজ্ঞাতনামা আসামির হোয়াটসঅ্যাপ থেকে চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনির ব্যক্তিগত হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারে বিভিন্ন স্ক্রিনশট পাঠিয়ে লাভবান হওয়ার উদ্দেশ্যে ব্ল্যাকমেইল করতে থাকেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মামলা দায়ের ও আইনি প্রক্রিয়া

এই ঘটনায় চিফ হুইপের কর্মী মো. নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে গুলশান থানায় সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশে মামলা করেন। মামলাটি সাইবার অপরাধের তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে চলছে, যা ডিজিটাল নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের সুরক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে।