বিডি থাই ফুডে উৎপাদন শুরু, নতুন চুক্তি সই
বিডি থাই ফুডে উৎপাদন শুরু, নতুন চুক্তি সই

শেয়ারবাজারগ্রাফিকস: প্রথম আলোটানা তিনবার ডাকাতির শিকার হওয়া বিডি থাই ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেডের কারখানায় অবশেষে উৎপাদন শুরু হয়েছে। পাশাপাশি ক্ষতি কাটিয়ে কারখানার শতভাগ সক্ষমতা ব্যবহার করতে দেশের দুটি বড় ব্র্যান্ডের সঙ্গে চুক্তিভিত্তিক পণ্য উৎপাদনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কোম্পানিটি।

আজ সোমবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইটে এই তথ্য জানানো হয়। বিডি থাই ফুড কর্তৃপক্ষ জানায়, ২০২৪ সালের পর তাদের কারখানায় পরপর তিনবার বড় ধরনের ডাকাতি হয়। সবশেষ চলতি বছরের ১০ ফেব্রুয়ারি একদল ডাকাত কারখানার সাবস্টেশন, জেনারেটর, মূল্যবান কেব্‌লসহ বিপুল পরিমাণ যন্ত্রপাতি নিয়ে যায়। ফলে কারখানাটি পুরোপুরি অচল ও উৎপাদন অনুপযোগী হয়ে পড়েছিল।

পরবর্তী সময় বিডি থাই ফুডের ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ বড় অঙ্কের টাকা বিনিয়োগ করে নতুন সাবস্টেশন, জেনারেটর ও পাওয়ার কেব্‌ল স্থাপন করে। দীর্ঘদিন মেরামতের পর কারখানার বিদ্যুতের ব্যবস্থা সচল করা হয়েছে এবং বর্তমানে উৎপাদন স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরেছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এদিকে কারখানার উৎপাদনসক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার এবং আয় বাড়াতে নতুন কৌশল হাতে নিয়েছে বিডি থাই ফুড অ্যান্ড বেভারেজ। কার্বোনেটেড সফট ড্রিংকস বা কোমল পানীয় উৎপাদনের জন্য সজীব গ্রুপ ও এভারগ্রিন বেভারেজ লিমিটেডের সঙ্গে দুটি পৃথক চুক্তি স্বাক্ষর করেছে কোম্পানিটি।

চুক্তি অনুযায়ী, বিডি থাই ফুডের কারখানায় সজীব গ্রুপের জনপ্রিয় কোমল পানীয় ব্র্যান্ড ‘উইংস’ ও এভারগ্রিন বেভারেজের ‘সানক্রেস্ট’ উৎপাদিত হবে। এর বিনিময়ে কোম্পানি দুটি বিডি থাই ফুডকে নির্ধারিত হারে ম্যানুফ্যাকচারিং চার্জ বা উৎপাদনের খরচ পরিশোধ করবে।

নতুন এই চুক্তির ফলে কারখানার কোমল পানীয় উৎপাদন লাইনের ৭০ শতাংশ সক্ষমতা এই দুই ব্র্যান্ডের জন্য ব্যবহৃত হবে। বাকি ৩০ শতাংশ সক্ষমতা ব্যবহার করা হবে বিডি থাই ফুডের নিজস্ব ব্র্যান্ড ‘নেকটারের’ পণ্য উৎপাদনের জন্য।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ আশা করছে, এর মাধ্যমে কারখানার কোমল পানীয় উৎপাদন লাইনের শতভাগ সক্ষমতা ব্যবহার করা সম্ভব হবে। চুক্তি থেকে প্রাপ্ত আয় দিয়ে কারখানার গ্যাস-বিদ্যুতের বিল, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ও অন্যান্য আর্থিক ব্যয় মেটানো সহজ হবে। ফলে ভবিষ্যতে কোম্পানির মুনাফা বাড়বে ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সুরক্ষিত হবে।