স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও পুলিশ বাহিনীর ভাবমূর্তি সম্পর্কে জনগণই বিচার করবে। তিনি মনে করেন, সরকার পুলিশ বাহিনীকে জনবান্ধব বাহিনীতে রূপান্তর করতে সক্ষম হয়েছে। সোমবার (৮ জুন) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পুলিশ সদস্যদের পুরস্কৃত করার অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
পুরস্কার ও শাস্তির নীতি
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সরকার রিওয়ার্ড অ্যান্ড পানিশমেন্ট নীতিতে বিশ্বাস করে। ভালো কাজের জন্য স্বীকৃতি এবং মন্দ কাজের জন্য তিরস্কারের ব্যবস্থা করা হবে। তিনি বলেন, 'শিষ্টের পালন এবং দুষ্টের দমন'— এই নীতি বাস্তবে প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে সরকার। সামনের দিনে দেখা যাবে কতটুকু সফলতা পাওয়া যায়।
টিআইবি প্রতিবেদন প্রসঙ্গে
টিআইবির প্রতিবেদন সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, টিআইবি সরকারি সংস্থা নয়। তিনি সাংবাদিকদের পরামর্শ দেন, পুলিশ বিভাগ ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে প্রকৃত চিত্র সংগ্রহ করে বিচার করতে। জনগণই চূড়ান্ত বিচার করবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
অপরাধের হার কমেছে
মন্ত্রী জানান, ২০২৫ সালের তুলনায় বর্তমানে দেশে অপরাধের সংখ্যা কমেছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভাবমর্যাদা জনগণই নির্ধারণ করবে। তবে পুলিশ সদস্যদের নৈতিকভাবে উৎসাহিত করা প্রয়োজন, যাতে তারা জনপ্রত্যাশা অনুযায়ী আইনের শাসন বাস্তবায়নে কাজ করতে পারে।
১৫ পুলিশ সদস্যকে পুরস্কার
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রামিসা হত্যাকাণ্ডে দ্রুত ডিএনএ টেস্ট ও ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করে চার্জশিট দেওয়া, দৌলতদিয়া ঘাটে পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের কারণে অন্তত ৫০ জন বাসযাত্রীর প্রাণ রক্ষা এবং মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় কিশোরী হত্যার ক্লুলেস মামলার দ্রুততম রহস্য উদঘাটন ও আসামিদের গ্রেফতারে ভূমিকা রাখায় মোট ১৫ জন পুলিশ সদস্যকে পুরস্কৃত করেছে সরকার।
এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে পুলিশ সদস্যদের মনোবল বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেন সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন, সরকার দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালনে বিশ্বাস করে এবং ভালো কাজের স্বীকৃতি ও খারাপ কাজের তিরস্কারের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।



