রিহ্যাবের দাবি: আবাসন তহবিল ও স্বল্প সুদে গৃহঋণ চালু করুন
আবাসন তহবিল ও স্বল্প সুদে গৃহঋণ চালুর দাবি রিহ্যাবের

রিহ্যাবের লোগোরিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (রিহ্যাব) নেতারা আবাসন খাতের জন্য একটি আবাসন তহবিল গঠনের পাশাপাশি সিঙ্গেল ডিজিট (১০ শতাংশের কম) সুদে দীর্ঘমেয়াদি গৃহঋণ-সুবিধা চালুর দাবি জানিয়েছেন। দেশের আবাসন খাতকে গতিশীল রাখতে তাঁরা এই দাবি জানান। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমানের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এই দাবি জানান আবাসন ব্যবসায়ীদের সংগঠন রিহ্যাবের নেতারা। আজ রোববার বিকেলে বাংলাদেশ ব্যাংকে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনটি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।

রিহ্যাব সভাপতির বক্তব্য

রিহ্যাবের সভাপতি আলী আফজাল বলেন, ফ্ল্যাট ক্রেতাদের জন্য স্বল্প সুদে ও সহজ শর্তে গৃহঋণ চালু করা গেলে মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত মানুষের নিজস্ব আবাসনের স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নেবে। আবাসন খাতের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতি আরও গতিশীল হবে।

জেলা ও উপজেলায় পরিকল্পিত আবাসন

সংগঠনটির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ঢাকাকে কার্যকরভাবে বিকেন্দ্রীকরণ করতে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে পরিকল্পিত আবাসন গড়ে তুলতে হবে। এ লক্ষ্যে স্বল্প সুদের হাউজিং ঋণসুবিধা সম্প্রসারণ করা জরুরি। এতে মানুষ রাজধানীর বাইরে বসবাসে আরও আগ্রহী হবে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

রিহ্যাবের প্রতিনিধিদলে আরও ছিলেন সংগঠনটির সহসভাপতি মোহাম্মদ আক্তার বিশ্বাস, আবু খালিদ মো. বরকত উল্লাহ, এ এফ এম ওবায়দুল্লাহ ও মো. হারুন অর রশিদ, পরিচালক তাসনোভা মাহবুব সালাম প্রমুখ।

গভর্নরের মতামত

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান বলেন, দেশের অর্থনীতি, কর্মসংস্থান ও শিল্পায়নে আবাসন খাতের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, হাউজিং খাতের ঋণ ব্যাংকিং খাতের অন্যতম নিরাপদ ঋণ। এর ফলে অন্য অনেক খাতের তুলনায় আবাসন ঋণের সুদের হার তুলনামূলকভাবে কম থাকে। বর্তমানে হাউজিং ঋণের সুদের হার অনেক ক্ষেত্রেই অন্যান্য ঋণের তুলনায় প্রায় ২ শতাংশ পর্যন্ত কম রয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বন্ডভিত্তিক অর্থায়নের উদ্যোগ

গভর্নর আরও বলেন, দীর্ঘমেয়াদি আবাসন ঋণের অর্থায়ন নিশ্চিত করতে বন্ডভিত্তিক অর্থায়ন ব্যবস্থা নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক কাজ করছে। এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে আবাসন খাতে দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের সুযোগ আরও সম্প্রসারিত হবে। সাধারণ মানুষের জন্য গৃহঋণ গ্রহণ সহজতর হবে।