সাটুরিয়ায় খাল খনন উদ্বোধন করলেন বিমানমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা
সাটুরিয়ায় খাল খনন উদ্বোধন করলেন বিমানমন্ত্রী

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলায় খাল খনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা। সোমবার (১১ মে) বিকালে উপজেলার গাজীখালী নদীর সংযোগস্থলে তিনি এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।

অনিয়মের সুযোগ নেই

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা বলেন, খাল খনন কর্মসূচিতে কোনো ধরনের অনিয়ম হওয়ার সুযোগ নেই। এটি সম্পূর্ণভাবে জনস্বার্থে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। খাল খননের মাধ্যমে পানির প্রবাহ স্বাভাবিক থাকবে, জলাবদ্ধতা কমবে এবং কৃষকরা সেচ ব্যবস্থায় বাড়তি সুবিধা পাবেন।

কৃষি ও গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন

তিনি আরও বলেন, দেশের কৃষি ও গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে খাল খনন একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় এ ধরনের কার্যক্রম শুরু হয়েছিল এবং সেই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে উন্নয়নমূলক এসব কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মন্ত্রী স্থানীয় জনগণকে এ প্রকল্পের সুফল সম্পর্কে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, খাল রক্ষা ও এর স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় রাখতে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ

মানিকগঞ্জের জেলা প্রশাসক নাজমুন আরা সুলতানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন- অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সালাউদ্দিন আহম্মেদ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী মো. অনিক, সাটুরিয়া থানার ওসি মোশারফ হোসেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান, জেলা জজ কোর্টের পিপি ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট এএফএম নূরতাজ আলম বাহার, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কদ্দুস খান মাখন, সাধারণ সম্পাদক আবুল বাসার সরকার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ. রহমান, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আমীর হামজা, শ্রমিক দলের সভাপতি মিজানুর রহমানসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তারা।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রতিক্রিয়া

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে খালটি ভরাট ও নাব্য সংকটের কারণে পানি চলাচল ব্যাহত হচ্ছিল। বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে কৃষিজমির ব্যাপক ক্ষতি হতো। খাল খনন কার্যক্রম বাস্তবায়িত হলে এলাকার কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তিও কমবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ উদ্যোগের মাধ্যমে সাটুরিয়া অঞ্চলের পানি ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।