বিশ্বকাপের গ্রুপ সি-তে স্কটল্যান্ড ও মরক্কোর মধ্যকার ম্যাচটি ব্রাজিলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এই ম্যাচের ফলাফলের ওপর নির্ভর করছে ব্রাজিলের গ্রুপ শীর্ষে থাকা এবং নকআউট পর্বে সহজ বা কঠিন প্রতিপক্ষ পাওয়ার সম্ভাবনা।
গ্রুপ সি-র বর্তমান অবস্থা
গ্রুপ সি-তে বর্তমানে স্কটল্যান্ড তিন পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রয়েছে। তারা তাদের প্রথম ম্যাচে জয় পেয়েছে। অন্যদিকে ব্রাজিল ও মরক্কো একটি করে পয়েন্ট নিয়ে যৌথভাবে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। হাইতি এখনও পয়েন্ট পায়নি।
যদি স্কটল্যান্ড মরক্কোকে হারায়, তাহলে তারা টানা দ্বিতীয় জয় পেয়ে গ্রুপ শীর্ষে থেকে শেষ ম্যাচ খেলবে। এমনকি ব্রাজিল যদি হাইতিকে হারিয়ে তিন পয়েন্ট পায়, তবুও স্কটল্যান্ড ব্রাজিলের মুখোমুখি হবে সুবিধাজনক অবস্থান থেকে। ওই ম্যাচে ড্র করলেও স্কটল্যান্ড গ্রুপ শীর্ষে থাকবে।
অন্যদিকে, মরক্কোর সঙ্গে ড্র করলে ব্রাজিলকে গ্রুপ শীর্ষে থাকতে শেষ ম্যাচে স্কটল্যান্ডকে হারাতেই হবে। তাতে করে পরের পর্বে তুলনামূলক সহজ প্রতিপক্ষ পাওয়ার সুযোগ থাকবে।
নকআউট পর্বের সমীকরণ
গ্রুপ সি-এর প্রথম ও দ্বিতীয় দল নকআউট পর্বে এফ গ্রুপের দলগুলোর মুখোমুখি হবে। এফ গ্রুপে বর্তমানে সুইডেন শীর্ষে রয়েছে। জাপান ও নেদারল্যান্ডস একটি করে পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে রয়েছে। তিউনিসিয়া শূন্য পয়েন্ট নিয়ে সবার শেষে।
১২টি গ্রুপ থেকে শীর্ষ দুটি দল এবং আটটি সেরা তৃতীয় স্থানে থাকা দল নকআউট পর্বে পৌঁছাবে। ব্রাজিল যদি গ্রুপে তৃতীয় হয়, তাহলে তারা এ, ই অথবা আই গ্রুপের প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হবে। সেক্ষেত্রে তাদের সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ হতে পারে ফ্রান্স বা জার্মানির মতো শক্তিশালী দল।
মরক্কোর ভূমিকা
স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে মরক্কো ফেভারিট হিসেবে মাঠে নামবে। ফিফা র্যাংকিংয়ের ষষ্ঠ স্থানে থাকা আফ্রিকান দলটি যদি ইউরোপিয়ানদের হারাতে পারে, তাহলে গ্রুপের প্রথম দল নির্ধারণ হতে পারে গোল ব্যবধানে। এই সমীকরণ তখনই কার্যকর হবে, যদি মরক্কো ও ব্রাজিল তাদের বাকি দুটি ম্যাচ জিতে সাত পয়েন্ট পায়। কারণ দুই দলের মধ্যে সরাসরি ম্যাচের ফল সমান থাকায় গোল ব্যবধানই চূড়ান্ত হবে। তাই বাকি দুটি ম্যাচে মরক্কো ও ব্রাজিল বেশি গোল করার লক্ষ্যে মাঠে নামবে।
উপসংহার
মূলত স্কটল্যান্ড বনাম মরক্কো ম্যাচের ফলাফলের ওপর নির্ভর করছে ব্রাজিলকে গ্রুপ শীর্ষে উঠতে কতটা কঠিন লড়াই করতে হবে এবং নকআউট পর্বে তারা সহজ না কঠিন প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হবে। ব্রাজিলের জন্য এই ম্যাচটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি তাদের বিশ্বকাপ অভিযানের গতিপথ নির্ধারণ করতে পারে।



