ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে বিশ্বকাপের রাউন্ড অব ৩২-এর ম্যাচে ইংল্যান্ডকে একটি ‘ন্যায্য’ পেনাল্টি থেকে বঞ্চিত করেছেন রেফারি বলে দাবি উঠেছে। প্রথমার্ধে ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি কেইনের জোরালো পেনাল্টি আবেদন নাকচ করে দেন জর্ডানের রেফারি আদহাম মাখাদমেহ। ভিএআর পর্যালোচনার পরও সিদ্ধান্ত বদলায়নি।
ম্যাচের ঘটনা
আটলান্টায় অনুষ্ঠিত ম্যাচে শুরু থেকেই দ্রুত আক্রমণে নামে ডিআর কঙ্গো। ব্রায়ান সিপেঙ্গার গোলে তারা এগিয়ে যায়। ইংল্যান্ড ফেভারিট হলেও গোল খেয়ে চাপে পড়ে টমাস টুখেলের দল। বিরতির আগে সমতা ফেরাতে মরিয়া ছিল ইংল্যান্ড।
প্রতিপক্ষের রক্ষণ ভেদ করে এগিয়ে যান কেইন। গোলরক্ষক লিওনেল এমপাসিকে পাশ কাটানোর চেষ্টা করতে গিয়ে স্পর্শ অনুভব করেন এবং মাটিয়ে পড়ে যান। রেফারি মাখাদমেহ সঙ্গে সঙ্গে আবেদন উড়িয়ে দেন। তার ইশারায় বোঝা যায়, তিনি মনে করেছেন কেইন ডাইভ করেছেন।
ভিএআর পর্যালোচনা
ভিএআর রেফারি খামিস আল মারি ঘটনাটি সংক্ষিপ্তভাবে পর্যালোচনা করেন। তবে তিনি মাখাদমেহকে পিচসাইড মনিটরে ডাকেননি এবং মাঠের সিদ্ধান্ত বহাল রাখেন।
বিশেষজ্ঞ মতামত
বিবিসির ধারাভাষ্যকার ও ইংল্যান্ডের সাবেক স্ট্রাইকার অ্যালান শিয়েরার মনে করেন, পেনাল্টি দেওয়া উচিত ছিল। তিনি বলেন, ‘স্পর্শ ছিল, এতে কোনো সন্দেহ নেই। আমার কাছে এটা পেনাল্টি।’
শিয়েরার আরও বলেন, ‘কেইন হয়তো একটু বেশি নাটকীয়ভাবে পড়েছেন। কিন্তু গোলরক্ষক সেভাবে হাত নিয়ে ছুটে এলে একজন ফরোয়ার্ড হিসেবে তুমি স্পর্শ পেলে মাটিতে পড়তেই পারো।’
ম্যাচের ফল
ম্যাচে ইংল্যান্ড ০–১ গোলে হেরে যায়। এই পরাজয়ের পর বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যায় ইংল্যান্ড। পেনাল্টি না পাওয়ার ঘটনা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে।



