ইংল্যান্ডের দারুণ প্রত্যাবর্তন: কেইনের জোড়া গোলে শেষ ষোলো নিশ্চিত
কেইনের জোড়া গোলে ইংল্যান্ডের শেষ ষোলো নিশ্চিত

ম্যাচের শুরুতেই ব্রায়ান সিপেঙ্গার গোলে পিছিয়ে পড়েছিল ইংল্যান্ড। প্রথমার্ধজুড়ে একের পর এক সুযোগ তৈরি করেও সমতায় ফিরতে পারেনি থ্রি লায়নরা। তবে বিরতির পর আক্রমণের ধার বাড়িয়ে শেষ পর্যন্ত দারুণ এক প্রত্যাবর্তন করেছে তারা। কেইনের জোড়া গোলে ২-১ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে ইংল্যান্ড।

প্রথমার্ধে পিছিয়ে পড়া

ম্যাচের ১৫তম মিনিটে ডিআর কঙ্গোর আক্রমণে ব্রায়ান সিপেঙ্গা গোল করে ইংল্যান্ডকে চমকে দেন। প্রথমার্ধে ইংল্যান্ড বেশ কিছু সুযোগ তৈরি করেও সমতা আনতে পারেনি। বিরতির আগে পর্যন্ত স্কোর ১-০ ছিল ডিআর কঙ্গোর পক্ষে।

দ্বিতীয়ার্ধে কেইনের জাদু

৭৫তম মিনিটে অ্যান্থনি গর্ডনের নিখুঁত ক্রস থেকে হেডে সমতা ফেরান অধিনায়ক হ্যারি কেইন। বাম দিক থেকে গর্ডনের উঁচু করে বাড়ানো ক্রসে নিখুঁত হেডে বল জালে জড়িয়ে দেন কেইন। ডিআর কঙ্গোর গোলরক্ষক লিওনেল এমপাসি-এনজাউ বলটি স্পর্শ করলেও সেটি ঠেকাতে ব্যর্থ হন। এই গোলের পর নতুন উদ্যমে জয়সূচক গোলের খোঁজে মরিয়া হয়ে ওঠে থ্রি লায়ন্সরা।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

কৌশলগত পরিবর্তন ও জয়সূচক গোল

সমতায় ফেরার পরপরই কৌশলগত পরিবর্তন আনে ডিআর কঙ্গো। ৭৬তম মিনিটে দুটি বদলি করেন কোচ। মাঠ ছাড়েন নোয়া মুকাউ ও প্রথমার্ধে গোল করা বেনি সিপেঙ্গা। তাদের জায়গায় নামানো হয় থিও বংগোন্ডা ও এদো কায়েম্বেকে, যাতে মাঝমাঠ ও আক্রমণে নতুন গতি আনা যায়। পরে ৮৬তম মিনিটে আবারও জালে বল জড়িয়ে ইংল্যান্ডকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন কেইন। বক্সের সামান্য বাইরে গর্ডনের কাছ থেকে বল পেয়ে ভেতরে ঢুকে পড়েন, এরপর ডান পায়ের জোরাল শটে পাঠিয়ে দিয়েছেন জালে। ১৫ মিনিট আগেও ১–০ ব্যবধানে পিছিয়ে থাকা ইংল্যান্ড এখন ২–১ ব্যবধানে এগিয়ে। ১১ মিনিটের মধ্যে দুটি গোলই করেছেন কেইন।

শেষ ষোলোতে ইংল্যান্ডের প্রতিপক্ষ

এই জয়ের মাধ্যমে ইংল্যান্ড বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে। আগামী ৬ জুলাই শেষ ষোলোয় ইংল্যান্ডের প্রতিপক্ষ মেক্সিকো।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ