রাজশাহীতে স্পোর্টস সায়েন্স বিশ্ববিদ্যালয় হবে: ভূমিমন্ত্রী
রাজশাহীতে স্পোর্টস সায়েন্স বিশ্ববিদ্যালয় হবে

ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, বাংলাদেশে স্পোর্টস সায়েন্স ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। এটি সময়ের দাবি। রাজশাহী শিক্ষা নগরী হিসেবে খ্যাত, তাই এখানেই প্রথম এই বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হবে। শনিবার (১৬ মে) দুপুরে রাজশাহী কলেজ অডিটোরিয়ামে শহীদ জিয়াউর রহমান শারীরিক শিক্ষা কলেজের আয়োজনে 'বাংলাদেশে স্পোর্টস সায়েন্স ইউনিভার্সিটি প্রয়োজনীয়তা' শীর্ষক সেমিনার ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্পোর্টস সায়েন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রয়োজনীয়তা

মন্ত্রী বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী সব দিক থেকে বাংলাদেশকে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। তিনি দেশের ও জনগণের উন্নয়নে সঠিক চিন্তা করছেন। বাংলাদেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে, সেগুলো কাটিয়ে ওঠার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। বিশ্বের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি অনেকটা মন্দা।

মিজানুর রহমান মিনু আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী ক্রীড়াকে এগিয়ে নিতে বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন। তিনি 'নতুন কুঁড়ি' ক্রীড়া প্রতিযোগিতা চালু করেছেন, যার মাধ্যমে কিশোরদের সুপ্ত ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণ, বাছাই এবং রাষ্ট্রীয়ভাবে তাদের মেধাবিকাশের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়াও ক্রীড়া ইতিহাসে প্রথমবারের মতো জাতীয় ক্রীড়াবিদদের জন্য মাসিক ভাতা চালু করেছে সরকার।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

রাজশাহীর উন্নয়নে ভূমিমন্ত্রীর অঙ্গীকার

মন্ত্রী বলেন, রাজশাহী আমাদের গর্ব, এটি আমাদের শেকড়। রাজশাহী আমাদের শান্তিপূর্ণ শহর। এ নগরীর সৌন্দর্যের কারিগর নগরবাসী। এখানে অনেক শিক্ষাবিদ ও জ্ঞানী ব্যক্তির জন্ম হয়েছে। এখানকার মাটিতে শুয়ে আছে অধ্যাপক জোহার মতো আত্মত্যাগী ব্যক্তি। রাজশাহীর উন্নয়নে সবসময় আপনাদের পাশে থাকবো ইনশাআল্লাহ। আপনারা আপনাদের প্রস্তাব সরকারের নিকট দেন, এটি সরকারের নজরে আনেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মিজানুর রহমান বলেন, রাজশাহীতে শহীদ জিয়াউর রহমান স্পোর্টস সায়েন্স ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠা একটি দূরদর্শী পরিকল্পনা। তিনি এর প্রশংসা করেন। এ কাজের জন্য অনেক বড় জায়গার প্রয়োজন হবে। শহরের পূর্ব বা পশ্চিম প্রান্তে জায়গার ব্যবস্থা করতে হবে। এক্ষেত্রে আইসিটি ভবনের পরিবর্তে নওদাপাড়ায় পূর্বে যে জায়গায় মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হওয়ার কথা ছিল সেটি বিবেচনা করা যেতে পারে। এখানে অনেক খাস জায়গা রয়েছে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিশিষ্টজন

শহীদ জিয়াউর রহমান শারীরিক শিক্ষা কলেজের অধ্যক্ষ মো. আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ সালাম বিপ্লবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শফিকুল হক মিলন, জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট এরশাদ আলী ঈশা এবং রাজশাহী কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ইব্রাহিম আলী।

অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য প্রফেসর এম. রফিকুল ইসলাম। এছাড়াও আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য প্রফেসর ড. নুরুল হোসেন চৌধুরী, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের জিয়া পরিষদের সভাপতি প্রফেসর ড. মোহাম্মদ হাবীবুর রহমান, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের সভাপতি প্রফেসর ড. মো. আব্দুল আলিম এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউট্যাবের সভাপতি প্রফেসর ড. মো. মামুনুর রশিদ।

সেমিনারে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ড. মোস্তাফিজুর রহমান এবং ভারতের পাঞ্জাব ইউনিভার্সিটি আইসিসিআর ও পিএইচডি ফেলো শারমিন আক্তার শান্তা।