জাতীয় দলের সিনিয়র সহকারী কোচ হিসেবে দায়িত্ব শেষ করতে যাচ্ছেন মোহাম্মদ সালাউদ্দিন। আগামী ৮ মে থেকে শুরু হওয়া পাকিস্তান সিরিজের দুই টেস্টে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে জাতীয় দলের অ্যাসাইনমেন্ট শেষ হবে তার। তবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন হচ্ছে না সালাউদ্দিনের। বরং বিসিবির হাইপারফরম্যান্স বিভাগে আবারও প্রধান কোচ হিসেবে যোগ দিতে যাচ্ছেন তিনি।
চুক্তি অপরিবর্তিত
২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ পর্যন্ত সালাউদ্দিনের সঙ্গে বিসিবির চুক্তি রয়েছে। সেই চুক্তিতে কোনো পরিবর্তন আসছে না। শুধু জাতীয় দল থেকে সরে গিয়ে সালাউদ্দিন দায়িত্ব পালন করবেন এইচপিতে। আর এইচপির বর্তমান হেড কোচ ডেভিড হেম্পকে দেয়া হবে অন্য দায়িত্ব।
প্রথম অ্যাসাইনমেন্ট জিম্বাবুয়ে সিরিজ
চলতি বছরের জুনে জিম্বাবুয়ে ‘এ’ দলের বিপক্ষে সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ এইচপি দল। ওই সিরিজই এইচপিতে সালাউদ্দিনের প্রথম অ্যাসাইনমেন্ট। সেখানে সালাউদ্দিনের সঙ্গে কোচ হিসেবে আরও থাকবেন সোহেল ইসলাম, মিজানুর রহমান বাবুল, রাজিন সালেহ ও তালহা জুবায়ের।
তরুণ ক্রিকেটার তৈরিতে মনোযোগ
জাতীয় দলের কোচিং ছেড়ে এইচপিতে যাওয়ার কারণ নিয়ে সম্প্রতি দেশের একটি গণমাধ্যমে কথা বলেছেন সালাউদ্দিন। তার মতে, তরুণ ক্রিকেটারদের সঙ্গে কাজ করে জাতীয় দলে ভালো পাইপলাইন তৈরিতে ভূমিকা রাখতে পারবেন তিনি। বিষয়টি ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, ‘তরুণ ক্রিকেটারদের নিয়ে আমি এ ধরনের কাজ আগেও করেছি। তাই আমার মনে হয়েছে, ভবিষ্যতের ক্রিকেটার তৈরির কাজটাই আমি ভালো করতে পারব। বিসিবিও সেভাবেই চিন্তা করেছে।’
জাতীয় দলে কাজ করায় প্রয়োজনটা আরও ভালো অনুভব করতে পারবেন বলে মনে করেন তিনি। তিনি বলেন, ‘জাতীয় দলের প্রয়োজনটা আমি এখন আরও ভালো করে বুঝি। যেমন সাদা বলের ক্রিকেটে আমাদের একজন ভালো অলরাউন্ডার দরকার, যে বোলিংয়ের পাশাপাশি ৭–৮ নম্বরে নেমে নির্ভরতা দিতে পারবে। এই ঘাটতিটা আমাদের থেকেই যাচ্ছে। এইচপিতে শুরু থেকেই আমার এ ধরনের ক্রিকেটারদের দিকে দৃষ্টি থাকবে।’
এইচপি দলে বয়সের মানদণ্ড নেই
এবারের এইচপি বিভাগে থাকছে না কোনো বয়সের মানদণ্ড। সবমিলিয়ে সাদা এবং লাল বল মিলিয়ে ক্রিকেটার থাকবেন ৩৫ জন। আগামী ৮, ১০ এবং ১৩ জুন ওয়ানডে সিরিজ মাঠে গড়াবে বগুড়া এবং রাজশাহীতে। এরপর দুটি চারদিনের ম্যাচ মাঠে গড়াবে সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে।
দক্ষিণ আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়া সফর
জিম্বাবুয়ে সিরিজের পর এইচপি দল সফর করবে দক্ষিণ আফ্রিকায়। সেখানে তারা তিনটি একদিনের ম্যাচ এবং দুটি চার দিনের ম্যাচ খেলবে। এরপর ১৫ আগস্ট থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়া সফরে থাকবে বাংলাদেশ হাই-পারফরম্যান্স বিভাগ। এবারও সেখানে টপ এন্ড টি-টোয়েন্টির পরে দুটি চারদিনের ম্যাচ খেলবে তারা। এ ছাড়া ইমার্জিং এশিয়া কাপেও এইচপি থেকে ক্রিকেটারদের খেলানোর কথা রয়েছে।



