বাংলাদেশ ফুটবল লিগে এই প্রথম সাফ অঞ্চলের পাঁচ জন ফুটবলার স্থানীয় হিসেবে খেলার সুযোগ পাচ্ছেন। এর বাইরে বিদেশি কোটায় রয়েছেন তিনজন। তবে সপ্তাহখানেক আগে বাফুফে সভাপতির কাছে লিগে খেলা শীর্ষ ফুটবলাররা সাফ কোটা বাতিলের দাবি জানালেও আজ রবিবার সেই অবস্থান থেকে সরে এসেছেন।
ফুটবলারদের নতুন প্রস্তাব
বাফুফের দুই সদস্যের সঙ্গে আজকের সভায় ফুটবলাররা সাফ ও এর বাইরের বিদেশি কোটায় দুইজন করে মোট চারজন খেলোয়াড় রাখার নতুন প্রস্তাব দিয়েছেন। আগের চিঠিতে ফুটবলারদের আরও চারটি দাবি থাকলেও আজ সেগুলো উত্থাপন করা হয়নি।
মামুনুল ইসলামের নেতৃত্ব
জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক মামুনুল ইসলাম আজ ফুটবলারদের নেতৃত্ব দেন। সভা শেষে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা ফেডারেশনের কাছে দুইজন সার্ক ও বিদেশি কোটা দাবি রেখেছি। আশা করি ফেডারেশন আমাদের দাবি বিবেচনা করবে। আমরা চাই ফুটবলার, ক্লাব ও ফেডারেশন—সবার সঙ্গে সুসম্পর্ক থাকুক। সাফের যেহেতু একটি সিদ্ধান্ত আছে, এই অঞ্চলের ফুটবলাররা একে অপরের দেশে স্থানীয় হিসেবে খেলতে পারবে। আমরাও চাই সার্কভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের ভালো সম্পর্ক থাকুক।’
বাফুফের প্রতিক্রিয়া
বাফুফের মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলাম বাবু বলেন, ‘ফুটবলারদের নতুন দাবিগুলো আমরা পেয়েছি। সেটা সভাপতিকে জানানো হবে এবং নির্বাহী কমিটির সভায় বিষয়টি পুনরায় আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’ গত সপ্তাহে খেলোয়াড় কল্যাণ সমিতির প্যাডে খেলোয়াড়েরা সভাপতির কাছে আবেদন করলেও আজ তা করা হয়েছে সাদা কাগজে। সেখানে ২০ জন ফুটবলার স্বাক্ষর করেছেন।



