বাংলাদেশ ফুটবল দলের জন্য আজ এক নতুন দিগন্তের উন্মোচন হতে যাচ্ছে। শুক্রবার (৫ জুন) রাত ১১টায় ফিফা প্রীতি ম্যাচে সান মারিনোর মুখোমুখি হচ্ছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। এই ম্যাচটি দুটি কারণে বাংলাদেশ ফুটবলের ইতিহাসে অনন্য হয়ে থাকবে— প্রথমত, বাংলাদেশ দল এই প্রথম ইউরোপের মাটিতে কোনও ইউরোপীয় দলের মুখোমুখি হচ্ছে; এবং দ্বিতীয়ত, জামাল ভূঁইয়ারা এই প্রথম ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) প্রযুক্তি সম্বলিত কোনও ম্যাচ খেলতে নামছেন।
সান মারিনোর শক্তি ও ভিএআর প্রযুক্তি
ফিফা র্যাংকিংয়ের তলানিতে থাকা দল হলেও সান মারিনোকে হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই। মাত্র ৬১ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এই ইউরোপীয় ক্ষুদ্র দেশটিতে ফুটবল অবকাঠামো অত্যন্ত আধুনিক ও উন্নত। নিজেদের ফুটবল কাঠামোর এই উন্নতির কারণেই তারা নিয়মিত ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক ম্যাচে ভিএআর প্রযুক্তি ব্যবহার করে আসছে। যার ফলে এই ম্যাচে প্রথমবারের মতো ভিএআর-এর অধীনে খেলার অভিজ্ঞতা হতে যাচ্ছে বাংলাদেশের পুরুষ ফুটবলারদের।
নারী দলের অভিজ্ঞতা
বাংলাদেশ পুরুষ দলের জন্য ভিএআর প্রযুক্তি একেবারেই নতুন হলেও, দেশের নারী ফুটবলাররা কিন্তু তিন মাস আগেই এই প্রযুক্তির স্বাদ পেয়েছেন। সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত নারী এশিয়ান কাপে ভিএআর প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছিল, যেখানে খেলেছেন ঋতুপর্ণা-মারিয়ারা। সেই টুর্নামেন্টে ভিএআর-এর সুফল বেশ ভালোভাবেই পেয়েছিল বাংলাদেশ নারী দল; প্রযুক্তির কল্যাণে প্রতিপক্ষের একাধিক গোল অফসাইড বা ফাউলের কারণে বাতিল হয়েছিল।
বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন আশা করছে, এই ম্যাচের মাধ্যমে পুরুষ দলও ভিএআর প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচিত হবে এবং ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক ম্যাচে এর ব্যবহার আরও বাড়বে। অন্যদিকে, সান মারিনোর বিরুদ্ধে ভালো ফলাফল করলে বাংলাদেশের ফিফা র্যাংকিংয়ে উন্নতি হতে পারে, যা দলের জন্য ইতিবাচক দিক হবে।



