ক্রিকেট সংকট নিরসনে নতুন ক্রীড়ামন্ত্রীর তৎপরতা: ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের অঙ্গীকার
ক্রিকেট সংকট নিরসনে নতুন ক্রীড়ামন্ত্রীর তৎপরতা

ক্রিকেট সংকট নিরসনে নতুন ক্রীড়ামন্ত্রীর তৎপরতা: ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের অঙ্গীকার

বাংলাদেশের নতুন যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী আমিনুল হক ভারতের সঙ্গে চলমান ক্রিকেটীয় সংকট দ্রুত নিরসন এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) শপথ গ্রহণ শেষে তিনি সংসদ ভবনে ভারতের ডেপুটি হাই কমিশনারের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎকারে এই আগ্রহের কথা জানান। মূলত চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ না করার বিষয়টি নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা নিরসনই এখন মন্ত্রণালয়ের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের প্রতিশ্রুতি

ক্রীড়ামন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, ‘শপথ নেওয়ার পরই আমি সংসদ ভবনে ভারতের ডেপুটি হাই কমিশনারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি এবং টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে আলোচনা করেছি। এটি একটি অত্যন্ত আন্তরিক আলোচনা ছিল। আমি তাকে স্পষ্ট জানিয়েছি যে, আমরা আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত এই সমস্যার সমাধান করতে চাই। প্রতিবেশী সব দেশের সঙ্গেই আমরা বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে আগ্রহী।’

উল্লেখ্য, ভূ-রাজনৈতিক উত্তজনা এবং ভেন্যু জটিলতার জেরে বাংলাদেশ এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নিতে পারেনি। আইপিএলে মোস্তাফিজুর রহমানকে স্কোয়াড থেকে সরিয়ে নেওয়ার ভারতের সরকারি নির্দেশনার পর পরিস্থিতি জটিল আকার ধারণ করে। তৎকালীন সরকার ভারতে দল পাঠাতে অস্বীকৃতি জানালে আইসিসি মূল আসরে বাংলাদেশের পরিবর্তে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

কূটনৈতিক জটিলতা ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা

এ প্রসঙ্গে আমিনুল হক বলেন, ‘কূটনৈতিক জটিলতার কারণে আমরা বিশ্বকাপে খেলতে পারিনি। বিষয়টি আগে আলোচনা করে সমাধান করা হলে হয়তো আমাদের দল অংশগ্রহণ করতে পারত।’ তবে ইতিবাচক খবর হলো, বিশ্বকাপে অংশ না নেওয়ার কারণে আইসিসি বাংলাদেশকে কোনো ধরনের শাস্তি না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এছাড়া ২০৩১ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের আগে বাংলাদেশকে একটি বাড়তি আইসিসি ইভেন্ট আয়োজনের সুযোগ দেওয়ারও ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

আগামী সেপ্টেম্বরে ভারতের তিন ওয়ানডে ও তিন টি-টোয়েন্টি ম্যাচের সিরিজ খেলতে বাংলাদেশ সফরের কথা রয়েছে। নতুন ক্রীড়ামন্ত্রী এই সফরের আগেই দুই দেশের ক্রিকেটীয় ও কূটনৈতিক সম্পর্কের বরফ গলাতে কাজ শুরু করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, এই সফরটি দুই দেশের মধ্যে ক্রিকেটীয় সহযোগিতা পুনরুজ্জীবিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হতে পারে।

সূত্র: ইএসপিএন ক্রিকইনফো