নু স্টেডিয়ামে মিয়ামির গোলকধাঁধা, মেসির জাদুও ব্যর্থ
নু স্টেডিয়ামে মিয়ামির গোলকধাঁধা, মেসির জাদু ব্যর্থ

নিজেদের নতুন ঠিকানা ‘নু স্টেডিয়াম’ যেন ইন্টার মিয়ামির জন্য এক গোলকধাঁধায় পরিণত হয়েছে। লিওনেল মেসির জাদুকরী পারফরম্যান্স সত্ত্বেও এই মাঠে জয়ের মুখ দেখা হলো না ইন্টার মিয়ামির। বাঁ পায়ের বাঁকানো শটে নান্দনিক এক গোল আর সতীর্থদের দিয়ে করানো দুই গোল সবই যেন বৃথা গেল ফ্লোরিডার ক্লাবটির জন্য।

ম্যাচের বিবরণ

স্থানীয় সময় রোববার (৩ এপ্রিল) এমএলএস-এর লড়াইয়ে ইন্টার মিয়ামির প্রতিপক্ষ ছিল ইস্টার্ন কনফারেন্সের তলানির দিকের দল ওরল্যান্ডো সিটি। পয়েন্ট টেবিলের ১৪ নম্বর দলের বিপক্ষে ঘরের মাঠে জয়টা যখন সময়ের ব্যাপার বলে মনে হচ্ছিল, তখনই মিয়ামির নড়বড়ে রক্ষণভাগ সব ওলটপালট করে দেয়।

ম্যাচের ৬৪ শতাংশ সময় বল দখলে রেখে এবং প্রতিপক্ষের গোলমুখে ১০টি অন-টার্গেট শট নিয়েও শেষ হাসি হাসতে পারেনি স্বাগতিকরা। ম্যাচের শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করে খেলতে থাকে মিয়ামি।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

প্রথমার্ধে মিয়ামির দাপট

খেলার চতুর্থ মিনিটেই মেসির সহায়তায় দলকে লিড এনে দেন ইয়ান ফ্রে। ২৫ মিনিটে আবারও আর্জেন্টাইন খুদে জাদুকরের ম্যাজিক। ডি-বক্সে প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগকে ফাঁকি দিয়ে তিনি বল বাড়িয়ে দেন তেলাস্কো সেগোভিয়ার দিকে, যা থেকে ব্যবধান ২-০ হয়। ম্যাচের ৩৩ মিনিটে আসে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। ডি-বক্সের বাইরে থেকে মেসির ট্রেডমার্ক বাঁকানো শট যখন জালে জড়ায়, তখন গ্যালারিতে আকাশছোঁয়া উন্মাদনা। কিন্তু ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে যাওয়ার স্বস্তি স্থায়ী হয়নি বেশিক্ষণ।

দ্বিতীয়ার্ধে বিপর্যয়

৩৯ মিনিটে ওজেদার গোলে ব্যবধান কমায় ওরল্যান্ডো। বিরতির পর খেই হারিয়ে ফেলে মিয়ামির ডিফেন্স। ৬৮ মিনিটে দ্বিতীয় এবং দশ মিনিট পর পেনাল্টি থেকে গোল করে নিজের হ্যাটট্রিক পূর্ণ করার পাশাপাশি ম্যাচে সমতা ফেরান ওজেদা। যখন মনে হচ্ছিল ম্যাচটি ড্র হতে চলেছে, তখনই যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে টাইরিস স্পাইসার মিয়ামির কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকে দেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এই পরাজয়ে ঘরের মাঠে মিয়ামির জয়হীন থাকার আক্ষেপ আরও দীর্ঘায়িত হলো। প্রথমার্ধে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে গিয়েও অবিশ্বাস্যভাবে ৪-৩ গোলে ম্যাচটি হেরে মাঠ ছাড়ল ডেভিড বেকহ্যামের দল।