বুন্দেসলিগার শিরোপা অনেকটাই নিশ্চিত করে ফেলেছে বায়ার্ন মিউনিখ। এখন তাদের লক্ষ্য পয়েন্ট ব্যবধান আরও বাড়ানো। সেই লক্ষ্যেই মেইনজের মাঠে খেলতে নেমে শুরুটা ভালো করতে পারেনি তারা। প্রথমার্ধেই তিন গোল হজম করে বড় চাপে পড়ে যায় দলটি।
তবে বিরতির পর দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন করে ৪-৩ ব্যবধানে জয়ে মাঠ ছাড়ে ভিনসেন্ট কোম্পানির শিষ্যরা। ম্যাচে বল দখলে এগিয়ে থাকলেও মেইনজের ধারাল আক্রমণে বারবার বিপদে পড়তে হয় বায়ার্নকে। আগের ম্যাচের একাদশ থেকে আটটি পরিবর্তন আনায় পারফরম্যান্সেও ছন্দ হারায় তারা। প্রথমার্ধে লক্ষ্যে কোনো শটই নিতে পারেনি দলটি। শেষ পর্যন্ত প্রায় ৭০ শতাংশ বল দখল রেখে ১১টি শট নেয়, যার মধ্যে ৬টি ছিল লক্ষ্যে।
অন্যদিকে, মেইনজ প্রথমার্ধে তিন গোল করে এগিয়ে গেলেও সেই লিড ধরে রাখতে ব্যর্থ হয়। তারা মোট ২১টি শট নেয়, যার ৮টি ছিল লক্ষ্যে। দলের হয়ে গোল করেন ডমিনিক কোহর, পল নেবেল ও শেরাল্ডো বেকের। বায়ার্নের পক্ষে ঘুরে দাঁড়ানোর পথে গোল করেন নিকোলাস জ্যাকসন, মাইকেল ওলিসে, জামাল মুসিয়ালা এবং হ্যারি কেইন।
ম্যাচের মূল মুহূর্ত
১৫ মিনিটে কোহরের গোলে এগিয়ে যায় মেইনজ, এরপর ২৯ মিনিটে নেবেল ব্যবধান বাড়ান। প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ে বেকের গোল করলে বায়ার্ন আরও চাপে পড়ে। দ্বিতীয়ার্ধে হ্যারি কেইন ও মাইকেল ওলিসেকে মাঠে নামানোর পর আক্রমণে গতি ফিরে পায় বায়ার্ন। ৫৩ মিনিটে জ্যাকসন গোল করে ব্যবধান কমান। এরপর ৭৩ মিনিটে ওলিসে এবং ৮১ মিনিটে মুসিয়ালার গোল ম্যাচে সমতা ফেরায়।
শেষ পর্যন্ত ৮৩ মিনিটে হ্যারি কেইনের গোলেই জয় নিশ্চিত করে বায়ার্ন। চলতি মৌসুমে এটি তার ৩৩তম গোল।
পয়েন্ট টেবিলের অবস্থান
এই জয়ে পয়েন্ট তালিকায় ব্যবধান ১৮-তে উন্নীত করেছে বায়ার্ন। ৩১ ম্যাচে ২৬ জয় ও ৪ ড্রয়ে তাদের সংগ্রহ ৮২ পয়েন্ট। এক ম্যাচ কম খেলে বরুসিয়া ডর্টমুন্ড ৬৪ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে, আর ৩৪ পয়েন্ট নিয়ে মেইনজ আছে দশম স্থানে।



