ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে সারা দেশে উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা। মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় সামর্থ্যবান মুসলমানরা ত্যাগের মহিমায় নামাজের পরপরই পশু কুরবানি শুরু করেছেন।
রাজধানীতে কুরবানির দৃশ্য
বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকাল ৭টায় ঈদের নামাজ শেষ করে নগরবাসী পশু কুরবানি করছেন। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, ঈদের নামাজ শেষ করেই পশু কোরবানি দিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন নগরবাসী। মসজিদের ইমাম-মোয়াজ্জেন এবং বিভিন্ন মাদ্রাসার ছাত্ররা পশু জবাইয়ে অংশ নিচ্ছেন। প্রতিবেশীরা একে অপরের পশু জবাই দিতে সহযোগিতা করছেন। অনেকেই পেশাদার কসাইয়ের অভাবে ঈদের দ্বিতীয় দিন কুরবানি করবেন বলে জানিয়েছেন।
ঈদের তাৎপর্য
হজরত ইবরাহিমের (আ.) দেখানো পথে ত্যাগের মহিমা ও উৎসর্গের আনন্দ নিয়ে বৃহস্পতিবার এ ধর্মীয় উৎসব উদযাপিত হচ্ছে।
রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে দেশবাসী ও বিশ্বের মুসলিম সম্প্রদায়কে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। এক বাণীতে তিনি কুরবানির আনন্দ দরিদ্র, বঞ্চিত ও অভাবগ্রস্ত মানুষের সঙ্গে ভাগাভাগি করে নেওয়ার আহ্বান জানান। রাষ্ট্রপতি বলেন, ঈদুল আজহা শুধু মুসলমানদের প্রধান ধর্মীয় উৎসবই নয়, এটি আত্মত্যাগ, আত্মশুদ্ধি এবং হিংসা-বিদ্বেষ ও মনের পশুত্বকে কুরবানি করার এক মহিমান্বিত ও সর্বজনীন আহ্বান।
অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও দেশবাসীসহ বিশ্ব মুসলিমকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, কোরবানি শুধু পশু জবাই নয়; বরং লোভ-লালসা, হিংসা-বিদ্বেষ ও মনের পশুত্বকে পরাভূত করার দীক্ষা গ্রহণের মধ্যেই নিহিত রয়েছে কোরবানির প্রকৃত মাহাত্ম্য ও তাৎপর্য।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাকওয়ার মহিমান্বিত পথনির্দেশনা এবং আত্মশুদ্ধির অনন্য বার্তা নিয়ে বছর ঘুরে আবারও বিশ্ব মুসলিমের দুয়ারে হাজির হয়েছে পবিত্র ঈদুল আজহা। তিনি দলমত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানান এবং বলেন, আল্লাহর শ্রেষ্ঠত্ব ঘোষণা করে নিজেকে তার কাছে সমর্পণের এই উৎসব আমাদের ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত করবে এবং সত্য ও সুন্দরের পথে ধাবিত করবে।



