পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সরকারি ছুটি শুরু হওয়ায় রাজধানীর মার্কেটগুলোতে ক্রেতার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। ধর্মীয় এই উৎসবকে কেন্দ্র করে রাজধানীবাসী গ্রামের বাড়িতে ফিরে যাওয়ায় বাজারগুলোতে কেনাকাটার চাপ আগের তুলনায় অনেকটাই কমেছে। ব্যবসায়ীদের মতে, দীর্ঘ ছুটির কারণে অনেকেই আগেভাগেই ঢাকা ছেড়ে চলে গেছেন, ফলে শেষ সময়ের কেনাকাটার চাপ কমে গেছে।
মার্কেট পরিদর্শনে যা দেখা গেছে
সোমবার (২৫ মে) রাজধানীর মৌচাক মার্কেট, ফরচুন শপিং মল, ইস্টার্ন প্লাজা, নিউ মার্কেট ও বেইলি রোড এলাকা ঘুরে দেখা যায়, মার্কেটগুলো একেবারে ফাঁকা না হলেও আগের ঈদগুলোর মতো উপচে পড়া ভিড় নেই। দোকানগুলোতে মাঝেমধ্যে ক্রেতা আসছেন, কেউ পোশাক দেখছেন, কেউ শেষ মুহূর্তের কেনাকাটা সারছেন। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, গত ঈদের তুলনায় এবার বেচাকেনার গতি কিছুটা ধীর।
ব্যবসায়ীদের মতামত
মৌচাক মার্কেটের হীরা কসমেটিকসের স্বত্বাধিকারী নজরুল আলম বলেন, “কোরবানির ঈদে সাধারণত কেনাকাটা কিছুটা কম হয়। এবার দীর্ঘ ছুটির কারণে অনেকেই আগে থেকেই কেনাকাটা শেষ করেছেন। তাই এখন ক্রেতা উপস্থিতি আগের তুলনায় কম।” অন্যদিকে, মৌচাক মার্কেটের রকমারি শাড়ি হাউজের ম্যানেজার সোহেল হাসান বলেন, “কোরবানির ঈদে মানুষ পশু কেনার দিকেই বেশি বাজেট রাখে। তাই পোশাকের বাজার তুলনামূলক ধীর থাকে। তবে শেষ সময়ে বিক্রি কিছুটা বাড়তে পারে।”
ক্রেতাদের অভিজ্ঞতা
ফরচুন শপিং মলে শিশুদের পোশাক কিনতে আসা শারমিন আহমেদ বলেন, “কিছু কেনাকাটা বাকি ছিল। আজ রাতেই বাড়ি যাবো, তাই সময় পেয়ে শেষ মুহূর্তে মার্কেটে এলাম।” এদিকে, দুপুরের ভারী বৃষ্টিতে নিউ মার্কেট এলাকায় পানি জমে ভোগান্তি সৃষ্টি হয়। পানি মাড়িয়ে মার্কেটে প্রবেশ করতে দেখা যায় অনেক ক্রেতাকে। এতে কেনাকাটায় কিছুটা অসুবিধার কথাও জানান তারা।
ইস্টার্ন প্লাজা ও বেইলি রোডের দোকানগুলোতেও তুলনামূলক কম ভিড় দেখা গেছে। তবে ব্যবসায়ীদের আশা, ঈদের আগে শেষ দু-এক দিনে ক্রেতার সংখ্যা কিছুটা বাড়তে পারে।



