প্রকৃতির নানা রূপ ধরা পড়েছে ক্যামেরায়
শহরের ব্যস্ততার মধ্যেও প্রকৃতি তার নিজের গল্প লিখে যায়। সোনালি পাতার পথে হাঁটতে হাঁটতে মনে হলো, শান্তির কিছু মুহূর্তই জীবনের সবচেয়ে সুন্দর স্মৃতি। অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নের ঐতিহাসিক ফিটজরয় গার্ডেনসের ছবিটি তুলেছেন সজীবুর রহমান।
পাহাড়, পানি আর নৌকা সৌন্দর্যের এক মায়াবী সমন্বয়। নীলাদ্রী লেক, ট্যাকেরঘাট, সুনামগঞ্জের এই ছবিটি তুলেছেন মৌসুমী মজুমদার। এখন জ্যৈষ্ঠ মাস, এ মাসে নানা রকমের ফলে ভরে ওঠে বাজার। ছবিটি নওগাঁর নিয়ামতপুর সদর থেকে তুলেছেন সবুজ সরকার।
সহাবস্থানের ছবি বৈঠাকাটা, আমতলী, বরগুনা থেকে নিয়াজ শাওনের তোলা। সায়াহ্নে লালে লালিমাময় শুকতারা গোবিন্দগঞ্জ, গাইবান্ধায় ধরা দিয়েছে মোছা. জান্নাতুন ফেরদৌসের ক্যামেরায়। বিলের বুকে যেন আকাশের ঠাঁই, প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য ইলিয়টগঞ্জ, গৌরীপুর, কুমিল্লায় দেখিয়েছেন মো. সেলিম আহসান পাখি।
গ্রীষ্মের প্রচণ্ড তাপপ্রবাহে রাস্তার মধ্যে ধান শুকানোর আমেজ বাউকোলা, সাতক্ষীরায় তুলেছেন গুলশান আরা। বিশাল জলরাশির বুকে এগিয়ে চলে জীবনের আরেক নাম ‘লঞ্চ’। টাঙ্গুয়ার হাওর, সুনামগঞ্জের ছবি মৌসুমী মজুমদারের। সবুজের গভীরে লুকিয়ে আছে একটুকরা প্রশান্তি, যেখানে ঝরনার সুরে মন খুঁজে পায় নীরবতার ঠিকানা। মাধবকুণ্ড জলপ্রপাত, মৌলভীবাজারের ১১ জুন ২০২৬-এর ছবি তুলেছেন আনিকা বিনতে আজিজ। নীরব গ্রামের পথ আর বৃষ্টিভেজা আকাশ—প্রকৃতি যেন নিজের ভাষায় শান্তির গল্প লিখছে। মধ্যভিটি, মৃগী, রাজবাড়ীর ১১ জুন ২০২৬-এর ছবি তুলেছেন ফাতেমা খাতুন।



