বলিউডের স্বজনপ্রীতির বিরুদ্ধে কৃতি শ্যাননের তিক্ত অভিজ্ঞতা প্রকাশ
বলিউডের স্বজনপ্রীতির বিরুদ্ধে কৃতি শ্যাননের অভিযোগ

বলিউডের স্বজনপ্রীতির বিরুদ্ধে কৃতি শ্যাননের তিক্ত অভিজ্ঞতা প্রকাশ

বলিউড অভিনেত্রী কৃতি শ্যানন সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বলিউডে নেপোটিজম বা স্বজনপ্রীতির তিক্ত অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন। তিনি জানান, তারকা সন্তানদের সুযোগ দিতে তাকে বহুবার সিনেমা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

বহিরাগত হিসেবে লড়াইয়ের গল্প

কৃতি শ্যানন বলেন, বলিউডের স্বজনপ্রীতি শুধু একটি শব্দ নয়; বরং এটি এক কঠিন সত্য। গ্ল্যামার জগতের এই রূঢ় বাস্তবতা নিয়ে তিনি নিজের তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা স্বীকার করে নেন। অভিনেত্রী উল্লেখ করেন, এই বৈষম্য সমাজের সব ক্ষেত্রেই আছে, তবে শোবিজ অঙ্গনে এটি বেশিই দেখা যায়। একজন বহিরাগতকে যেখানে বারবার নিজেকে প্রমাণ করতে হয়, সেখানে তারকা সন্তানদের জন্য পথটা অনেক বেশি মসৃণ থাকে বলে জানান তিনি।

ক্যারিয়ারের শুরুর দিনগুলোর স্মৃতি

ক্যারিয়ারের শুরুর দিনগুলোর কথা স্মরণ করে কৃতি শ্যানন বলেন, এমন অনেক সময় গেছে, যখন কোনো সিনেমায় তাকে প্রায় নিশ্চিত করা হয়েছিল, ঠিক সেই মুহূর্তে কোনো এক প্রভাবশালী পরিবারের সন্তানের জন্য তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়। বিশেষ করে বড় প্রযোজনা সংস্থাগুলো অনেক সময় পরিচিত মুখ বা তারকা সন্তানদের নিতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

তিনি বলেন, একজন আউটসাইডারের জন্য একটি সিনেমা ফ্লপ হওয়া মানে ক্যারিয়ার প্রায় শেষ হয়ে যাওয়া, কিন্তু স্টারকিডরা বারবার সুযোগ পেতে থাকেন

দমে না যাওয়ার গল্প

এত বাধা সত্ত্বেও দমে যাননি অভিনেত্রী। ‘বরেলি কি বরফি’, ‘মিমি’ কিংবা ‘তেরি বাতো মে অ্যায়সা উলঝা জিয়া’-র মতো সিনেমার মাধ্যমে তিনি প্রমাণ করেছেন যে, শেষ পর্যন্ত প্রতিভাই টিকে থাকে। বিশেষ করে ‘মিমি’ সিনেমায় অভিনয়ের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন তার ক্যারিয়ারের অন্যতম বড় সাফল্য বলেও মনে করেন কৃতি শ্যানন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

তিনি আরও বলেন, বলিউডে বহিরাগত হিসেবে নিজের জায়গা করে নেওয়ার লড়াই কঠিন হলেও, সততা ও প্রতিভার মাধ্যমে সাফল্য অর্জন সম্ভব। তার এই বক্তব্য বলিউডের স্বজনপ্রীতির বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী বার্তা হিসেবে দেখা যাচ্ছে।