জামিনে বেরিয়েই মিমি চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে মানহানি মামলা তনয় শাস্ত্রীর, ২০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি
মিমি চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে মানহানি মামলা তনয় শাস্ত্রীর

জামিনে বেরিয়েই মিমি চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে মানহানি মামলা তনয় শাস্ত্রীর, ২০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি

টালিউড অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে আইনি লড়াই শুরু করেছেন আয়োজক তনয় শাস্ত্রী। গত মাসে বনগাঁয় একটি মাচা অনুষ্ঠানে হেনস্তার অভিযোগ তুলে মিমি চক্রবর্তী পুলিশি তদন্তের পর তনয় শাস্ত্রীকে গ্রেফতার করিয়েছিলেন। এবার জেল থেকে জামিনে বের হওয়ার পরই তিনি অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে মানহানি মামলা দায়ের করেছেন।

মামলার বিবরণ ও দাবি

তনয় শাস্ত্রী মিমি চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে ২০ লাখ টাকার মানহানি মামলা ঠুকে দিয়েছেন। তার দাবি অনুযায়ী, মিমি চক্রবর্তী তাকে অকারণে অপমান করেছেন এবং জনসমক্ষে তার সম্মানহানি করেছেন। এই মর্মে তিনি অভিনেত্রীকে একটি আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন। সেই সঙ্গে তাকে অকারণে হেনস্তা করা এবং জেলে পাঠানোর জন্য ২০ লাখ টাকার ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন।

এছাড়াও, গত মাসের শেষে বনগাঁয়ের ওই অনুষ্ঠানের জন্য মিমিকে দেওয়া ২ লাখ ৬৫ হাজার টাকাও ফেরত চেয়েছেন তিনি। কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন, মিমির আসার কথা ছিল ৯টায়, কিন্তু তিনি দুই ঘণ্টারও বেশি সময় পর পৌঁছান।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ঘটনার পটভূমি

গত মাসে বনগাঁয় একটি মাচা অনুষ্ঠানে পারফর্ম করতে গিয়ে হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন বলে অভিযোগ করেছিলেন মিমি চক্রবর্তী। সেই ঘটনায় পুলিশি তদন্তের পর অভিযুক্ত আয়োজক তনয় শাস্ত্রীকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। জামিন-অযোগ্য ধারায় মামলা হওয়ায় তনয়কে এক সপ্তাহের বেশি সময় জেল হেফাজতে থাকতে হয়েছিল। মজার বিষয় হলো, মিমি চক্রবর্তীর জন্মদিনের দিনই জামিন পান তনয় শাস্ত্রী।

জেল থেকে বেরিয়েই তিনি সংবাদমাধ্যমকে বলেছিলেন, 'এর শেষ দেখে ছাড়ব।' সেই কথামতোই এবার মানহানি মামলা দায়ের করেছেন তিনি।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

উভয় পক্ষের বক্তব্য

মিমি চক্রবর্তীর অভিযোগ ছিল, তনয় শাস্ত্রী তাকে মাঝপথে স্টেজ থেকে নামিয়ে দিয়েছিলেন এবং অসভ্য আচরণ করেছিলেন। অন্যদিকে, তনয়ের দাবি ছিল, মিমি নির্দিষ্ট সময়ে আসেননি। তিনি যখন স্টেজে ওঠেন, তখন প্রায় রাত ১২টা, যার ফলে পুলিশি নিয়মানুযায়ী অনুষ্ঠান বন্ধ করতে বাধ্য হন আয়োজক।

এই আইনি নোটিশ এবং মামলা প্রসঙ্গে মিমি চক্রবর্তীর সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তার পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। টালিউড জগতে এই ঘটনা নিয়ে উত্তপ্ত আলোচনা চলছে।

পরবর্তী পদক্ষেপ

তনয় শাস্ত্রীর আইনি নোটিশে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, মিমি চক্রবর্তী যদি ক্ষতিপূরণ ও ফি ফেরত না দেন, তাহলে আদালতে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই মামলার ফলাফল টালিউড শিল্পে আইনি প্রক্রিয়া ও শিল্পীদের অধিকার নিয়ে নতুন বিতর্কের সূচনা করতে পারে।