দক্ষিণ ভারতের জনপ্রিয় অভিনেতা থেকে রাজনীতির ময়দানে শক্ত অবস্থান—এই দুই দিক সামলে ৫১ বছর বয়সেও দারুণ ফিট আছেন থালাপতি বিজয়। তাঁর ফিটনেসের পেছনে বড় ভূমিকা রাখে সহজ কিন্তু নিয়মতান্ত্রিক জীবনযাপন। জিম বা কঠিন ডায়েটের চেয়ে তিনি বিশ্বাস করেন সিম্পল খাবার, পরিমিতি আর রুটিনে। এই জীবনধারা আমাদের প্রতিদিনের বাস্তব জীবনেও সহজেই প্রয়োগ করা যায়।
থালাপতি বিজয়ের খাদ্যাভ্যাস
থালাপতি বিজয় প্রথাগত ডায়েট করেন না। তিনি ‘সবই খান’, কিন্তু অল্প করে। কোনো খাবার পুরো বাদ দেন না, বরং পোর্শন কন্ট্রোল বা পরিমিত খান এবং কিছু বিষয় মেনে চলেন। তিনি বাইরে খাবার বা জাঙ্ক ফুড এড়িয়ে চলেন, ব্যস্ত সময়েও নিজের খাবার নিজেই সঙ্গে রাখেন এবং ঘরে তৈরি খাবারের ওপরই নির্ভর করেন—এটাই তার ফিট থাকার মূল রহস্য।
পরিমিত খাদ্য গ্রহণ
বিজয় বিশ্বাস করেন যে কোনো খাবারই সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ নয়; বরং পরিমিতি বজায় রাখা জরুরি। তিনি মিষ্টি, ভাজা বা তেলজাতীয় খাবারও মাঝে মাঝে খান, কিন্তু খুব অল্প পরিমাণে। এই অভ্যাস তাঁকে দীর্ঘমেয়াদে ডায়েট না ভাঙতে সাহায্য করে এবং মানসিক চাপ কমায়।
ঘরে তৈরি খাবারের গুরুত্ব
ব্যস্ত শুটিং শিডিউলের মধ্যেও বিজয় নিজের খাবার নিজেই বহন করেন। তিনি বাইরের খাবার এড়িয়ে চলেন এবং সবসময় ঘরে তৈরি, তাজা ও পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করেন। এতে করে তিনি অনিয়ন্ত্রিত তেল, লবণ ও চিনি থেকে দূরে থাকেন।
নিয়মতান্ত্রিক জীবনযাপন
বিজয়ের ফিটনেসের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো তাঁর নিয়মতান্ত্রিক রুটিন। তিনি প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুম থেকে ওঠেন, ব্যায়াম করেন এবং খাবার গ্রহণ করেন। এই শৃঙ্খলা তাঁর শরীর ও মনের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।
সহজ ব্যায়াম পদ্ধতি
তিনি জিমে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় কাটান না; বরং হালকা ব্যায়াম, যোগব্যায়াম ও হাঁটার মতো সহজ পদ্ধতি অনুসরণ করেন। নিয়মিত শারীরিক কার্যকলাপ তাঁর ফিটনেস বজায় রাখতে যথেষ্ট।
সবাই অনুসরণ করতে পারেন
থালাপতি বিজয়ের এই জীবনধারা অত্যন্ত সহজ ও বাস্তবসম্মত। পোর্শন কন্ট্রোল, ঘরে তৈরি খাবার, জাঙ্ক ফুড এড়িয়ে চলা, এবং নিয়মিত রুটিন—এই চারটি নীতি যে কেউ নিজের জীবনে প্রয়োগ করে ফিট থাকতে পারেন। বিজয়ের উদাহরণ প্রমাণ করে যে ফিটনেসের জন্য কঠিন ডায়েট বা ব্যয়বহুল জিমের প্রয়োজন নেই; বরং সঠিক অভ্যাস ও শৃঙ্খলাই যথেষ্ট।



