বিজয়ের রাজনৈতিক মঞ্চে জবাব: ‘আমি অভিনেতা, কিন্তু রাজনীতিতে অভিনয় করিনি’
ভারতে তারকা থেকে রাজনীতির মঞ্চে রূপান্তর নতুন কোনো ঘটনা নয়। অতীতে এম জি রামান্দ্রান বা জয়ললিতার মতো ব্যক্তিত্বরা এই পথকে জনপ্রিয় করে তুলেছেন। এরই ধারাবাহিকতায় বহুদিন ধরেই আলোচনায় রয়েছেন তামিল সুপারস্টার বিজয়। তবে এবার তামিলগা ভেত্রি কাজগাম (টিভিকে)–এর সমাবেশে দেওয়া তার বক্তব্য যেন নতুন করে সেই বিতর্ককে উসকে দিয়েছে।
সমালোচকদের জবাবে বিজয়ের স্পষ্ট ভাষ্য
চেন্নাইয়ে অনুষ্ঠিত দলীয় সমাবেশে বিজয় স্পষ্ট ভাষায় জবাব দিয়েছেন সমালোচকদের। বিজয়ের বক্তব্য ছিল, ‘হ্যাঁ, আমি একজন অভিনেতা—এটা নতুন কিছু নয়। কিন্তু আমি রাজনীতিতে অভিনয় করিনি।’ বিজয়ের এই মন্তব্য দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। দীর্ঘদিন ধরে সমালোচকেরা তাকে ‘শুধু অভিনেতা’ বলে খাটো করার চেষ্টা করে আসছিলেন। তার এই বক্তব্যকে অনেকেই সেই সমালোচনার জবাব হিসেবে দেখছেন।
রাজনৈতিক কটাক্ষ ও পাল্টা প্রশ্ন
এ সময় তিনি পাল্টা প্রশ্নও ছুড়ে দেন, ‘যারা রাজনীতিতে থেকে নাটকের মতো আচরণ করেন, তাদের কি তাহলে অভিনেতা-অভিনেত্রী বলা উচিত নয়?’ তার এই মন্তব্যে রাজনৈতিক কটাক্ষও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। সমাবেশে সাম্প্রতিক করুরে পদদলিত হয়ে প্রাণহানির ঘটনাও উল্লেখ করেন বিজয়। নিহতদের প্রতি শোক জানিয়ে তিনি প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন।
অভিনেতা থেকে রাজনীতিবিদের যাত্রা
ভারতে তারকাদের রাজনীতিতে প্রবেশের ইতিহাস দীর্ঘ। এম জি রামান্দ্রান ও জয়ললিতার মতো ব্যক্তিত্বরা এই পথকে জনপ্রিয় করেছেন। বিজয়ও এখন সেই ধারাবাহিকতায় এগোচ্ছেন। তার রাজনৈতিক দল তামিলগা ভেত্রি কাজগামের মাধ্যমে তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন।
‘জন নায়গন’ সিনেমায় বড় ধাক্কা
অন্যদিকে, বিজয়ের নতুন সিনেমা ‘জন নায়গন’ মুক্তির আগেই বড় ধাক্কা খেয়েছে। ছবিটির কিছু দৃশ্য ও গান ফাঁস হওয়ার পর অল্প সময়ের মধ্যেই পুরো এইচডি সংস্করণ অনলাইনে ছড়িয়ে পড়েছে। বিষয়টি তদন্ত করছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এই ঘটনা সিনেমা শিল্পে পাইরেসির সমস্যা আবারও সামনে এনেছে।
বিজয়ের রাজনৈতিক অবস্থান ও সিনেমা শিল্পের চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা চলছে। তার বক্তব্য ভারতীয় রাজনীতিতে তারকাদের ভূমিকা নিয়ে নতুন বিতর্কের সূচনা করেছে।



