পুলিশ শুক্রবার বিশেষ অভিযান চালিয়ে নোয়াখালী, লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ ও লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ থেকে আওয়ামী লীগ নেতা ও কিশোর গ্যাং সদস্যসহ ৩২ জনকে গ্রেফতার করেছে।
নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাং আটক
নোয়াখালীর সদর উপজেলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে কিশোর গ্যাংয়ের ১৮ সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ। আটকদের মধ্যে একজন প্রাপ্তবয়স্ক রয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের নাম-পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে জেলা শহর মাইজদীর পৌর বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, মাইজদী শহরের বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে কয়েকটি কিশোর গ্যাং সক্রিয় রয়েছে। কয়েকদিন আগে জেলা শহরে একটি কিশোর গ্যাং প্রকাশ্যে বড় ধরনের শোডাউন করে।
লালমনিরহাটে আ.লীগ নেতা গ্রেফতার
লালমনিরহাটের কালীগঞ্জে সরকারি আদিতমারী কলেজের সাবেক অধ্যক্ষসহ পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তারা হলেন আ.লীগের সহসভাপতি ও সরকারি আদিতমারী কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মো. আজিজার রহমান, জেলা আ.লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক সরকারি করিম উদ্দিন পাবলিক কলেজের প্রভাষক মো. এরশাদুল হক, ভোটমারী ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড যুবলীগ সভাপতি মো. আশরাফুল হক, দলগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য রিপন চন্দ্র রায় ও চন্দ্রপুর ইউনিয়নের লতাবর এলাকার আনোয়ার হোসেন।
লক্ষ্মীপুরে আরও গ্রেফতার
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে বিশেষ অভিযানে আ.লীগের চার নেতাকর্মীসহ মোট ৯ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শনিবার তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। জানা যায়, গত বছরের ১৭ জুলাই থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় আ.লীগ ও তার সহযোগী সংগঠনের চার নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়। তারা হলেন চণ্ডীপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগ সভাপতি মহিবুর রহমান ফাহিম, যুবলীগের সক্রিয় সদস্য সাইফুল ইসলাম আরজু, রুবেল হোসেন এবং পশ্চিম বরিআইশ এলাকার আ.লীগের সক্রিয় সদস্য শাহ আলম। চুরির মামলায় আটকরা হলেন রতনপুরের মাসুম হোসেন এবং চাঁদপুরের হাজীগঞ্জের পয়ালজোশের শাওন হোসেন। পরোয়ানাভুক্ত আটকরা হলেন সিরন্দীর হোসেন ও বিউটি আক্তার এবং পূর্বভাদুরের রিয়াদ হোসেন।



