কালকি কোয়েচলিনের মানসিক যন্ত্রণা: সম্পর্ক ভেঙে অনিদ্রায় ভুগেছিলেন অভিনেত্রী
কালকি কোয়েচলিনের সম্পর্ক ভাঙা ও অনিদ্রার কাহিনী

কালকি কোয়েচলিনের সম্পর্ক ভাঙার পর অনিদ্রার যন্ত্রণা

বলিউড অভিনেত্রী কালকি কোয়েচলিন সম্প্রতি সোহা আলী খানের পডকাস্টে তাঁর জীবনের একটি কঠিন সময়ের কথা উন্মোচন করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, একটি সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ায় তিনি দীর্ঘ কয়েক মাস ধরে অনিদ্রায় ভুগেছিলেন, যা তাঁর মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলেছিল।

মন ভাঙার কারণে ঘুমের সমস্যা

কালকি কোয়েচলিনের মতে, সেই সম্পর্ক ভাঙার অভিজ্ঞতা তাঁকে গভীরভাবে আঘাত করেছিল। তিনি বলেন, 'মন ভাঙার কারণে আমি কয়েক মাস ঘুমাতে পারিনি। বুঝেছিলাম, মানসিকের সঙ্গে শারীরিক যন্ত্রণাও রয়েছে।' এই সময়ে তিনি রাতে দুই চোখের পাতা এক করতে পারতেন না, যা তাঁর দৈনন্দিন জীবনকে ব্যাহত করেছিল।

রাতের অস্থিরতা ও প্রতিক্রিয়া

অভিনেত্রী বর্ণনা করেন, রাতগুলো তাঁর জন্য খুব অস্থির হয়ে উঠেছিল। প্রায়ই রাত দুইটা-তিনটার সময় ঘুম ভেঙে যেত এবং তিনি আর ঘুমাতে পারতেন না। তখন তিনি নিজেকে ব্যস্ত রাখতে গিটার বাজাতেন বা অন্য কাজ করতেন, কারণ ঘুম ফিরে আসত না। তিনি বলেন, 'আমি একদমই ঘুমাতে পারতাম না। রাতে উঠে গিটার বাজাতাম বা কিছু একটা করতাম। কারণ, আবার ঘুম আসতই না।'

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

দৈনন্দিন জীবনে প্রভাব

এই অনিদ্রার কারণে কালকির কাজ ও ব্যক্তিগত জীবনেও নেতিবাচক প্রভাব পড়েছিল। তিনি উল্লেখ করেন, 'যেদিন কাজ থাকত, আমি বুঝতেই পারতাম না আমি জেগে আছি নাকি স্বপ্ন দেখছি। খুব বিভ্রান্ত লাগত। প্রায় চার মাস এমন চলেছিল।' এই অভিজ্ঞতা থেকে তিনি উপলব্ধি করেন যে মন ও শরীর একে অপরের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত।

ব্যক্তিগত জীবন ও বর্তমান অবস্থা

কালকি কোয়েচলিন আগে পরিচালক অনুরাগ কশ্যপকে বিয়ে করেছিলেন, কিন্তু পরে তাঁদের বিচ্ছেদ হয়ে যায়। বর্তমানে তিনি তাঁর প্রেমিক গাই হার্শবার্গের সঙ্গে সংসার করছেন এবং তাঁদের একটি মেয়ে আছে, যার নাম সাফো। ২০২০ সালে তাঁদের মেয়ের জন্ম হয়েছিল। কালকি এখন ইনস্টাগ্রামে সক্রিয়ভাবে উপস্থিত থেকে তাঁর জীবনযাপন শেয়ার করেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এই সাক্ষাৎকারে কালকি কোয়েচলিনের কথা মানসিক স্বাস্থ্যের গুরুত্ব তুলে ধরেছে, বিশেষ করে সম্পর্ক ভাঙার মতো ঘটনাগুলো কীভাবে ব্যক্তির শারীরিক ও মানসিক সুস্থতাকে প্রভাবিত করতে পারে তা স্পষ্ট করে।