নাট্যকর্মী মিমোর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, অধ্যাপক আটক
নাট্যকর্মী মিমোর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, অধ্যাপক আটক

নাট্যকর্মী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী মুনিরা মাহজাবিন মিমোর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে বাড্ডা থানা–পুলিশ। আজ সকাল আটটার দিকে বাড্ডার বাসা থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশের বক্তব্য

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) বাড্ডা জোনের সহকারী কমিশনার (এসি) আসাদুজ্জামান জানান, ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘তিনি (মিমো) সচরাচর দরজা খোলা রেখে ঘুমান। ফজরের আজানের পর দরজা বন্ধ দেখে পরিবারের সদস্যরা ধাক্কাধাক্কি করেন। তবে কোনো সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান। খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।’

ময়নাতদন্ত ও আটক

ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সুদীপ চক্রবর্তীকে আটক করেছে বাড্ডা থানা–পুলিশ। আসাদুজ্জামান বলেন, ‘গতকাল রাতে একটার দিকে সুদীপ চক্রবর্তীর সঙ্গে ছয় মিনিট কথা বলেছেন মিমো। কল হিস্ট্রি ডিলিট করেছেন সুদীপ। আমরা প্রাথমিকভাবে সন্দেহ করছি, ঘটনার সঙ্গে সুদীপ চক্রবর্তীর সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে। ফলে তাঁকে আটক করা হয়।’

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মামলা ও শোক

এর আগে বাড্ডা থানায় আত্মহত্যার প্ররোচনায় মামলা করেছে মিমোর পরিবার। মিমোর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারপারসন কাজী তামান্না হক। এক শোকবার্তায় তিনি লেখেন, ‘এমন মৃত্যু আমরা কেউ মেনে নিতে পারছি না। বিভাগের সব শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারীরা শোকে আচ্ছন্ন। আমরা চাই, সুষ্ঠু প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এই ঘটনায় ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হোক।’

নাট্যকর্মী হিসেবে পরিচিত মিমোকে নির্দেশনা দিতেও দেখা গেছে। তার মৃত্যুতে নাট্যাঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নাট্যকর্মী মহসিনা আক্তার লেখেন, ‘আহারে মিমো।’

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ