প্রথম আলোর পুড়ে যাওয়া ভবনে 'আলো' প্রদর্শনীতে উপস্থিত ছিলেন জয়া, আফসানা মিমিসহ নানা ব্যক্তিত্ব
প্রথম আলোর ভবনে 'আলো' প্রদর্শনীতে জয়া, আফসানা মিমির উপস্থিতি

প্রথম আলোর ধ্বংসস্তূপে 'আলো' প্রদর্শনীতে জয়া আহসান থেকে আফসানা মিমির উপস্থিতি

ঢাকার প্রথম আলো ভবনের অগ্নিদগ্ধ ও ধ্বংসপ্রাপ্ত স্থানে অনুষ্ঠিত হয়েছে 'আলো' শিল্পপ্রদর্শনী, যেখানে দেশের নানা প্রান্ত থেকে শিল্পী, সাহিত্যিক, অভিনেতা ও সমাজকর্মীরা অংশ নিয়েছেন। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অভিনেত্রী জয়া আহসান, যিনি ভবনের ভয়াবহ ধ্বংসের চিত্র দেখে বিমূঢ় হয়ে পড়েন।

বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সমাগম ও শিল্পের প্রতি সমর্থন

শিল্পী আফসানা মিমি প্রদর্শনী দেখতে এসে বিইউবিটির শিক্ষার্থীদের ছবি তোলার আবদার মেটান, যা তরুণ প্রজন্মের সঙ্গে তাঁর সংযোগকে তুলে ধরে। লেখক আবুল মনসুর তাঁর স্ত্রী নাজলী লায়লা মনসুরকে নিয়ে এই শিল্পআয়োজন পরিদর্শন করেন, সৃজনশীলতার প্রতি তাদের অঙ্গীকার প্রকাশ করে।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধূরীও পুড়ে যাওয়া ভবনে এই প্রদর্শনী দেখতে আসেন, যা সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির একটি উদাহরণ। শীর্ষস্থানীয় শিল্পোদ্যোক্তা অঞ্জন চৌধুরী পিন্টু প্রদর্শনীটি ক্যামেরাবন্দী করেন, শিল্প ও উদ্যোক্তার মেলবন্ধনকে গুরুত্ব দেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

শিল্প ও সংস্কৃতির মাধ্যমে প্রতিবাদ ও স্মৃতি সংরক্ষণ

অভিনেত্রী অর্চিতা স্পর্শিয়া প্রদর্শনী ঘুরে ঘুরে দেখেন, শিল্পের মাধ্যমে আশার আলো ছড়ানোর চেষ্টা করেন। বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের তথ্য ও প্রচার সম্পাদক দীপায়ন খিসার নেতৃত্বে একদল মানুষ এই আয়োজনে অংশ নেন, যা সম্প্রদায়গত সংহতির প্রতীক।

নৃত্যশিল্পী পূজা সেনগুপ্ত ধ্বংসচিহ্নের সামনে দাঁড়িয়ে শিল্পের শক্তি প্রদর্শন করেন, যখন মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি মফিদুল হক প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন ঐতিহাসিক স্মৃতি সংরক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরেন। অভিনেতা ও চিত্রশিল্পী আফজাল হোসেন মোবাইল ক্যামেরায় এই মুহূর্তগুলো ধরে রাখেন, স্মৃতিচিহ্ন সংরক্ষণে প্রযুক্তির ভূমিকা নির্দেশ করেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

নৃত্যশিল্পী ও অভিনয়শিল্পী হোসাইন ইসলাম প্রদর্শনী দেখার একপর্যায়ে নাচের মুদ্রায় নিজের প্রতিবাদ জানান, শিল্পের মাধ্যমে সামাজিক বার্তা প্রচারের একটি শক্তিশালী উদাহরণ স্থাপন করেন। এই 'আলো' প্রদর্শনী প্রথম আলোর ভবনের ধ্বংসের মাঝে সৃজনশীলতা ও প্রতিরোধের একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে, যা দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে নতুন আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।