ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে মুক্তির অপেক্ষায় থাকা আলোচিত চলচ্চিত্র 'মাসুদ রানা' নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহারের গুঞ্জন ছড়ালেও প্রযোজক স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন—এই সিনেমায় কোনো চরিত্রই এআই দিয়ে তৈরি নয়। বরং পুরো সিনেমাটি বাস্তব অভিনয়, ভিএফএক্স এবং প্রযুক্তির সমন্বয়ে নির্মিত।
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর মুক্তি
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর জনপ্রিয় স্পাই চরিত্র 'মাসুদ রানা'র বড়পর্দায় মুক্তি, এবারের ঈদে অন্যতম বড় আকর্ষণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তবে, ট্রেলার প্রকাশের পর থেকেই ছবিটির প্রযুক্তি ব্যবহারের ধরন নিয়ে নানা আলোচনা তৈরি হয়। বিশেষ করে কিছু ভিজ্যুয়াল ইফেক্টকে কেন্দ্র করে এআই ব্যবহারের সন্দেহ প্রকাশ করেন অনেকে।
প্রযোজকের বক্তব্য
তবে এসব আলোচনা নাকচ করে দিয়েছেন প্রযোজক আব্দুল আজিজ। তিনি বলেন, “মাসুদ রানা চরিত্রে অভিনয় করেছেন রাসেল রানা। তার জায়গায় এআই ব্যবহার করা হয়নি। প্রতিটি দৃশ্যেই সে নিজে অভিনয় করেছে। কিছু ভিএফএক্সে এআইয়ের সংমিশ্রণ থাকলেও চরিত্র তৈরি বা পারফরম্যান্সে এআই ব্যবহার হয়নি।”
তিনি আরও জানান, ছবিটি দীর্ঘ সময় ধরে নির্মাণাধীন ছিল এবং নানা জটিলতার কারণে মুক্তি পেতে দেরি হয়েছে। তবে সেন্সর বোর্ড থেকে ইতিবাচক সাড়া পাওয়া গেছে বলেও দাবি করেন তিনি।
অভিনেতা ও পরিচালকের প্রতিক্রিয়া
চরিত্রে অভিনয় করা রাসেল রানা বলেন, “শুটিং শেষ হওয়ার পর থেকে আমার মধ্যে সবসময় একটা চাপ কাজ করেছে। অবশেষে ঈদে সিনেমাটি মুক্তি পাচ্ছে—এখন দর্শকই বিচার করবেন।”
পরিচালক সৈকত নাসির বলেন, “আমরা জেমস বন্ড ধাঁচের একটি সিনেমা বানানোর চেষ্টা করেছি। প্রযুক্তির ব্যবহার হয়েছে, তবে সেটা বাস্তব অভিনয়কে কেন্দ্র করেই।”
এআই বিতর্কের কেন্দ্রে মাসুদ রানা
ঈদে বড় বাজেট ও তারকানির্ভর একাধিক সিনেমার ভিড়ে 'মাসুদ রানা'–কে ঘিরে এই এআই বিতর্ক নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে ট্রেলার প্রকাশের পর দর্শকদের একাংশের কৌতূহল এখন ছবিটির ভিজ্যুয়াল ও বাস্তব উপস্থাপনাকে ঘিরেই।
সব মিলিয়ে ঈদুল আজহায় মুক্তির অপেক্ষায় থাকা এই সিনেমা এখন শুধু একটি অ্যাকশন স্পাই ফিল্ম নয়—এআই বিতর্কের কারণেও আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে।



