প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পরিবার নিয়ে শিশুতোষ নাটক উপভোগ করলেন
রাজধানীর বেইলি রোডে অবস্থিত মহিলা সমিতির নীলিমা ইব্রাহিম মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমা রহমানকে নিয়ে শিশুতোষ নাটক কবি চিতাবাঘ উপভোগ করেছেন। শনিবার (১১ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাতটার দিকে প্রধানমন্ত্রী পরিবারের সদস্যদের নিয়ে মিলনায়তনে উপস্থিত হন এবং নাটকটি দেখেন। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
দর্শকদের মধ্যে ভিন্ন অনুভূতির সৃষ্টি
প্রধানমন্ত্রী নাটক দেখতে এসেছেন—এই খবর ছড়িয়ে পড়লে মিলনায়তনে থাকা শিশু দর্শক ও অভিভাবকদের মধ্যে ভিন্ন অনুভূতির সৃষ্টি হয় বলে উল্লেখ করেন অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বেইলি রোডে মহিলা সমিতির মিলনায়তনে তাঁর সহধর্মিণী জুবাইদা রহমান ও কন্যা জাইমা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে এসেছেন। সন্ধ্যা সাতটায় প্রধানমন্ত্রী এখানে এসেছেন। এখন তাঁরা নাটক দেখছেন।’
হঠাৎ আগমনে হকচকিত দর্শক
বেইলি রোডে মহিলা সমিতির মিলনায়তনে হঠাৎ সরকারপ্রধানের আগমনে শিশুশিল্পীসহ দর্শকদের হকচকিত হতে দেখা যায়। কাছ থেকে প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের দেখে অনেককে আনন্দ প্রকাশ করতে দেখা যায়। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রী পরিবারের সদস্যদের নিয়ে যখন মঞ্চে ওঠেন, তখন পুরো মিলনায়তনের দর্শকেরা তুমুল করতালি দিয়ে অভিনন্দন জানান।
শিশুশিল্পীদের উৎসাহ দেওয়ার উদ্দেশ্য
আতিকুর রহমান আরও বলেন, ‘বিনোদনের জন্য নাটক দেখতে নয়, মূলত প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা শিশুশিল্পীদের উৎসাহ দিতেই এখানে এসেছেন। প্রধানমন্ত্রী পরে শিশুশিল্পীদের সঙ্গে ফটোসেশনেও অংশ নেন।’ এই ঘটনা প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের একটি উদাহরণ হিসেবে দেখা যাচ্ছে।
এর আগের সিনেমা দেখা
এর আগে ৩ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মেয়ে জাইমা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে রাজধানীর ধানমন্ডির জিগাতলায় সীমান্ত সম্ভার সিনেমা হলে গিয়েছিলেন। সেদিন সন্ধ্যায় তাঁরা প্রজেক্ট হেইল মেরি সিনেমা দেখেন। এই দুই ঘটনা প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সময়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বিনোদনমূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের ধারাবাহিকতা নির্দেশ করে।
মহিলা সমিতির এই আয়োজন শিশুতোষ নাটকের প্রতি সমর্থন ও উৎসাহ প্রদর্শনের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি শিশুশিল্পী ও দর্শকদের জন্য একটি বিশেষ মুহূর্ত তৈরি করেছে, যা স্থানীয় সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে বলে মনে করা হচ্ছে।



