মিতা হকের প্রয়াণ দিবসে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, স্মরণে নাট্যব্যক্তিত্ব খালেদ খান যুবরাজ
মিতা হকের প্রয়াণ দিবসে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম

মিতা হকের প্রয়াণ দিবসে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, স্মরণে নাট্যব্যক্তিত্ব খালেদ খান যুবরাজ

প্রতিবারের মতো এবারও দিনব্যাপী চিকিৎসাসেবা কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে স্মরণ করা হলো প্রখ্যাত নাট্যব্যক্তিত্ব খালেদ খান যুবরাজ ও সংগীতশিল্পী মিতা হককে। শনিবার (১১ এপ্রিল) মিতা হকের পঞ্চম প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে কেরানীগঞ্জে তাদের নিজ বাসায় এই আয়োজন করা হয়, যা এলাকার মানুষের জন্য উল্লেখযোগ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করে।

এলাকার নারী ও শিশুদের অংশগ্রহণ

সকাল থেকেই এলাকার বিভিন্ন বয়সী নারী ও শিশু অংশ নেন এ স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমে। তারা নিজেদের সমস্যার কথা জানিয়ে বিনামূল্যে প্রাথমিক চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করেন, যা তাদের দৈনন্দিন স্বাস্থ্য চাহিদা পূরণে সহায়ক ভূমিকা রাখে। এই উদ্যোগটি স্থানীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।

শিল্পী সংস্থা 'সুরতীর্থ'-এর উদ্যোগ

শিল্পী সংস্থা ‘সুরতীর্থ’-এর উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে সার্বিক তত্ত্বাবধানে থেকে রোগীদের সেবাপত্র বুঝিয়ে দেন ফারহিন খান জয়িতা ও মোস্তাফিজ শাহিন। তারা খালেদ খান যুবরাজ ও মিতা হক দম্পতির কন্যা ও জামাতা হিসেবে, এই কার্যক্রমের মাধ্যমে তাদের পিতামাতার মানবসেবার আদর্শকে ধারণ করছেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সহযোগিতা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

‘মিতা-যুবরাজ ফ্রি হেলথ ক্যাম্প’ শীর্ষক এ আয়োজনে সহযোগিতা করে ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড। আয়োজকরা জানান, খালেদ খান যুবরাজ ও মিতা হক সবসময় মানুষের জন্য কাজ করেছেন এবং মানুষের মাঝেই থাকতে চেয়েছেন। তাদের সেই আদর্শকে ধারণ করতেই এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রাখা হবে, যা ভবিষ্যতেও সমাজসেবামূলক কার্যক্রমে অনুপ্রেরণা যোগাবে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মিতা হকের জীবন ও সম্মাননা

উল্লেখ্য, মিতা হকের জন্ম ১৯৬২ সালে। ছোটবেলায় চাচা ওয়াহিদুল হক এবং পরে ওস্তাদ মোহাম্মদ হোসেন খান ও সনজীদা খাতুনের কাছে সংগীতের তালিম নেন তিনি। সংগীতে বিশেষ অবদানের জন্য ২০২০ সালে তিনি একুশে পদক লাভ করেন। এর আগে ২০১৬ সালে পেয়েছিলেন শিল্পকলা পদক, যা তার শিল্পী জীবনের উজ্জ্বল স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হয়।