৩৭ বছর বয়সে প্রয়াত হলেন ‘স্প্লিটসভিলা ৭’ তারকা মায়াঙ্ক পাওয়ার
‘স্প্লিটসভিলা ৭’ তারকা মায়াঙ্ক পাওয়ারের অকাল প্রয়াণ

বিনোদন জগতে শোকের ছায়া: ৩৭ বছর বয়সে চলে গেলেন ‘স্প্লিটসভিলা ৭’ তারকা মায়াঙ্ক পাওয়ার

বিনোদন জগতের গ্লিটজ আর গ্ল্যামারের আড়ালে আবারও নেমে এসেছে শোকের ছায়া। মাত্র ৩৭ বছর বয়সে অকালপ্রয়াত হয়েছেন জনপ্রিয় রিয়্যালিটি শো ‘স্প্লিটসভিলা সিজন ৭’খ্যাত মডেল মায়াঙ্ক পাওয়ার। তার এই আকস্মিক প্রয়াণে স্তম্ভিত হয়ে পড়েছেন সহকর্মী, বন্ধু ও অসংখ্য ভক্ত-অনুরাগী।

দীর্ঘদিন অসুস্থতা ও মানসিক অবসাদের সঙ্গে লড়াই

গণমাধ্যমসূত্রে জানা গেছে, গত কয়েক দিন ধরেই শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন মায়াঙ্ক পাওয়ার। তার মা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ছেলে দীর্ঘদিন ধরে ডিপ্রেশনের শিকার ছিল। শুধু তাই নয়, গত বছর মার্চ মাসে তার লিভারে কঠিন রোগ ধরা পড়ে। মাসখানেক ধরেই চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি, কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি।

দুই বছর আগে বিয়ে ভেঙে যাওয়ার পর থেকেই মানসিক অবসাদ তাকে ঘিরে ধরেছিল বলে খবর পাওয়া গেছে। নিজেকে ফিটনেসের মধ্যে ডুবিয়ে রাখার চেষ্টা করেছিলেন মায়াঙ্ক, কিন্তু তাতেও কাঙ্ক্ষিত ফল পাননি। অল্প বয়সে এই প্রতিভাবান মডেলের চলে যাওয়া কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না তার কাছের মানুষরা।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

‘স্প্লিটসভিলা ৭’-এ জনপ্রিয়তা ও স্মরণীয় মুহূর্ত

২০১৪ সালে এমটিভির জনপ্রিয় রিয়্যালিটি শো ‘স্প্লিটসভিলা সিজন ৭’-এ অংশ নিয়ে দর্শকদের নজর কেড়েছিলেন মায়াঙ্ক পাওয়ার। সানি লিওন ও রণবিজয় সিংয়ের সঞ্চালনায় এই শোতে তিনি ছিলেন অন্যতম শক্তিশালী প্রতিযোগী। তার ফিটনেস, হ্যান্ডসাম চেহারা ও আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্ব সেই সময় যুবসমাজের মধ্যে বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছিল।

শোর অন্যতম প্রতিযোগী প্রিয়াংকা পুরোহিতের সঙ্গে তার রসায়ন আজও দর্শকদের মনে রয়ে গেছে। গ্ল্যামার জগতে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য নিরলসভাবে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছিলেন মায়াঙ্ক, কিন্তু মাঝপথেই থমকে গেল সেই সংগ্রাম।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

নেটদুনিয়ায় শোকের বহিঃপ্রকাশ

মায়াঙ্ক পাওয়ারের অকাল প্রয়াণের খবর সামনে আসতেই নেটদুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে শোকের ছায়া। সোশ্যাল মিডিয়ায় তার ভক্ত ও অনুরাগীরা শোক প্রকাশ করে স্মৃতিচারণ করছেন। বিনোদন শিল্পের অনেক ব্যক্তিত্বও এই দুঃখজনক ঘটনায় গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।

মায়াঙ্কের মৃত্যু শুধু একটি পরিবার বা বন্ধুমহলকেই নয়, সমগ্র বিনোদন জগতকে কাঁদিয়েছে। তার এই আকস্মিক প্রস্থান প্রমাণ করে, গ্ল্যামার ও সাফল্যের পেছনে লুকিয়ে থাকতে পারে গভীর ব্যক্তিগত সংগ্রাম।