আসিয়াটিক থ্রিসিক্সটি সম্প্রতি কিছু গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানিয়েছে। ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল যে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে তদন্ত স্থগিতের আবেদন খারিজ হয়ে গেছে। আসিয়াটিক থ্রিসিক্সটি এই তথ্যকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও বাস্তবতাবিরোধী বলে উল্লেখ করেছে।
প্রতিষ্ঠানের পটভূমি
১৯৬৬ সাল থেকে বাংলাদেশে ডিজিটাল বিজ্ঞাপন, ব্র্যান্ডিং ও কন্টেন্ট ডিজাইন সেবা প্রদানকারী এই প্রতিষ্ঠানটি চলমান আইনি প্রক্রিয়ার বিষয়ে বিভ্রান্তি দূর করতে এবং সততা বজায় রাখতে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছে।
আইনি প্রক্রিয়ার বিবরণ
বিষয়টির সূত্রপাত হয় যখন এনায়েত উল্লাহ নামে এক ব্যক্তি হাইকোর্ট বিভাগে রিট পিটিশন নং ৬৮১২/২০২৫ দায়ের করেন। এতে দুর্নীতি দমন কমিশন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এবং বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের প্রধানদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।
২০২৫ সালের ২৮ জুলাই হাইকোর্টের রুল জারির পর আসিয়াটিক থ্রিসিক্সটির একজন পরিচালক আপিল বিভাগে সিভিল পিটিশন ফর লিভ টু আপিল নং ৩৩৩৮/২০২৫ দাখিল করেন। ২০২৫ সালের ২৮ আগস্ট চেম্বার জজ হাইকোর্টের আদেশের কার্যকারিতা স্থগিত করেন।
সর্বশেষ শুনানি
২০২৬ সালের ২০ এপ্রিল আপিল বিভাগ উভয় পক্ষের শুনানি শেষে পিটিশনটি নিষ্পত্তি করে। আদালত নির্দেশ দেয় যে হাইকোর্ট বিভাগ রিট পিটিশনটি চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি না করা পর্যন্ত পূর্বের স্থগিতাদেশ বহাল থাকবে।
আসিয়াটিক থ্রিসিক্সটি স্পষ্ট করেছে যে আপিল বিভাগ তাদের কোনো পিটিশন খারিজ করেনি; বরং বিদ্যমান স্থগিতাদেশ বহাল রেখেছে। প্রতিষ্ঠানটি আইনি পরিভাষার পার্থক্যও ব্যাখ্যা করে জানিয়েছে, 'ডিসচার্জ' মানে খারিজ, আর 'ডিসপোজ' মানে নিষ্পত্তি। তাই পিটিশন খারিজ হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান
আসিয়াটিক থ্রিসিক্সটি বিভ্রান্তিকর প্রতিবেদন প্রকাশকে অত্যন্ত দুঃখজনক, বিব্রতকর এবং মানহানিকর বলে অভিহিত করেছে। প্রতিষ্ঠানটি সাংবাদিকদের আদালতের রায় সঠিকভাবে বুঝে প্রকৃত তথ্য পরিবেশনের অনুরোধ জানিয়েছে। ভুল তথ্য পরিবেশন আদালত অবমাননার শামিল হতে পারে বলেও সতর্ক করেছে।



