ইরানের অস্ত্র সংগ্রহে সহায়তার অভিযোগে ১০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
ইরানের অস্ত্র সংগ্রহে সহায়তায় ১০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা

ইরানের সামরিক বাহিনীর জন্য অস্ত্র ও শাহেদ ড্রোন তৈরির কাঁচামাল সংগ্রহে সহায়তার অভিযোগে ১০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। শনিবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে আল জাজিরা।

নিষেধাজ্ঞার আওতায় যারা

মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলো ইরানের সামরিক সরঞ্জাম সংগ্রহকারী একটি আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত। নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে চীনভিত্তিক ইউশিতা সাংহাই ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড কোং লিমিটেড। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, প্রতিষ্ঠানটি ইরানের সেন্টার ফর ইনোভেশন অ্যান্ড টেকনোলজি কো-অপারেশনের (সিআইটিসি) হয়ে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করেছে।

মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠান

ওয়াশিংটনের ভাষ্য অনুযায়ী, সংস্থাটি ইরানের প্রযুক্তি ও অস্ত্র সংগ্রহ কার্যক্রম সমন্বয় করে থাকে। মার্কিন কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, সংস্থাটি চীন থেকে ম্যান-পোর্টেবল এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমসহ বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র কেনার চেষ্টা চালিয়েছে। নিষেধাজ্ঞার তালিকায় আরও রয়েছে দুবাইভিত্তিক জ্বালানি প্রতিষ্ঠান এফজেডসিও। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, প্রতিষ্ঠানটি ইরানের অস্ত্র সংগ্রহ কার্যক্রমে সহায়তার অংশ হিসেবে হংকংভিত্তিক এই ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড কোং লিমিটেডের কাছে কয়েক মিলিয়ন ডলার স্থানান্তর করেছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

অন্যান্য প্রতিষ্ঠান

এ ছাড়া হংকংয়ের এইচকে হেসিন ইন্ডাস্ট্রি কোং লিমিটেড এবং বেলারুশভিত্তিক আর্মরি অ্যালায়েন্স এলএলসির বিরুদ্ধেও ইরানের অস্ত্র সংগ্রহে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করার অভিযোগ আনা হয়েছে। বেলারুশে অবস্থানরত ইরানি নাগরিক মোহাম্মদ মাহদী মালেকি, যিনি আর্মরি অ্যালায়েন্সের কর্মী, তাকেও এই নেটওয়ার্কের সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। একই সঙ্গে আর্মরি অ্যালায়েন্সের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী তোলিবভকে ইরানের দীর্ঘদিনের অস্ত্র সংগ্রহ সহযোগী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

মাস্টাড লিমিটেডের ভূমিকা

আরেক হংকংভিত্তিক প্রতিষ্ঠান মাস্টাড লিমিটেডের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করে ইরানের ইসলামিক রেভ্যুলেশনারি গার্ড কোরের জন্য কোটি কোটি ডলারের অস্ত্র কেনাবেচার আর্থিক লেনদেন সহজ করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, এসব নিষেধাজ্ঞার মূল লক্ষ্য হলো ইরানের ড্রোন ও সামরিক সরঞ্জাম সংগ্রহ নেটওয়ার্ককে দুর্বল করা এবং আন্তর্জাতিক অস্ত্র সরবরাহ চেইনে বিঘ্ন সৃষ্টি করা।