ইসরাইল-সৌদি চাপে ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা: বার্নি স্যান্ডার্সের অভিযোগ
ইসরাইল-সৌদি চাপে ইরানে মার্কিন হামলা: বার্নি স্যান্ডার্স

ইসরাইল ও সৌদি আরবের চাপে ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা: বার্নি স্যান্ডার্সের তীব্র অভিযোগ

মার্কিন সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স ইসরাইল ও সৌদি আরবের চাপের মুখে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর সামরিক হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন। সোমবার (২ মার্চ) ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই মন্তব্য করেন, যা আন্তর্জাতিক মহলে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। স্যান্ডার্সের বক্তব্য অনুযায়ী, ইসরাইল ও সৌদি আরব যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের বিরুদ্ধে হামলা চালাতে সরাসরি প্রভাবিত করেছে, যা একটি গুরুতর রাজনৈতিক ইস্যু হিসেবে দেখা দিয়েছে।

স্যান্ডার্সের পোস্টে ইসরাইল ও সৌদি আরবের কঠোর সমালোচনা

বার্নি স্যান্ডার্স তার পোস্টে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে কঠোর ভাষায় আক্রমণ করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, নেতানিয়াহু গাজায় ৭২ হাজার মানুষকে হত্যা করেছেন, যাদের মধ্যে অধিকাংশই নারী ও শিশু। এই মন্তব্য ইসরাইলের সামরিক কার্যক্রমের প্রতি তার তীব্র বিরোধিতা প্রকাশ করে। পাশাপাশি, সৌদি আরবকে তিনি একটি নির্মম একনায়কতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে বর্ণনা করেন, যেখানে ভিন্নমতের কোনো স্থান নেই। স্যান্ডার্স প্রশ্ন তোলেন, এই ধরনের নেতারা কি সত্যিই ইরানে 'স্বাধীনতা' আনতে চান? তিনি সন্দেহ প্রকাশ করে বলেন, কেউ কি এটা বিশ্বাস করে?

আন্তর্জাতিক সম্পর্কে প্রভাব ও প্রতিক্রিয়া

এই অভিযোগ আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। ইরান, ইসরাইল ও সৌদি আরবের মধ্যে দীর্ঘদিনের বৈরিতা এবং যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক আরও তীব্র হতে পারে। স্যান্ডার্সের বক্তব্য মার্কিন পররাষ্ট্র নীতির সমালোচনা হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানকে জটিল করে তুলতে পারে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এই ঘটনা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকে প্রভাবিত করতে পারে এবং কূটনৈতিক সংঘাতের সম্ভাবনা বাড়িয়ে দিতে পারে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বার্নি স্যান্ডার্সের এই পোস্ট সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে ব্যবহারকারীরা ইসরাইল ও সৌদি আরবের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করছেন। অনেকেই স্যান্ডার্সের সমর্থন জানালেও, কিছু মহল তার বক্তব্যকে অতিরঞ্জিত বলে উল্লেখ করেছেন। এই ঘটনা আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমেও গুরুত্বপূর্ণ স্থান পেয়েছে, যা বিশ্বব্যাপী মনোযোগ আকর্ষণ করছে।