বাণিজ্য ও এআই আলোচনায় বেইজিং যাচ্ছেন ট্রাম্প
বাণিজ্য ও এআই আলোচনায় বেইজিং যাচ্ছেন ট্রাম্প

যুদ্ধ, বাণিজ্য এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) প্রসারে টালমাটাল বিশ্ব পরিস্থিতির মধ্যেই চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বহুল প্রতীক্ষিত শীর্ষ বৈঠকে যোগ দিতে বুধবার (১৩ মে) বেইজিং পৌঁছাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার হোয়াইট হাউস ছাড়ার আগে ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, আমরাই দুই পরাশক্তি। সামরিক শক্তির দিক থেকে আমরাই বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী দেশ। চীনকে দ্বিতীয় হিসেবে বিবেচনা করা হয়। মার্কিন বার্তা সংস্থা এপি এ খবর জানিয়েছে।

ট্রাম্পের বাণিজ্যিক লক্ষ্য

ট্রাম্পের এই সফরের মূল লক্ষ্য হচ্ছে চীনের সাথে বড় ধরনের বাণিজ্যিক চুক্তি সম্পন্ন করা। আমেরিকার উৎপাদিত খাদ্যপণ্য ও উড়োজাহাজ চীনের কাছে বিক্রির মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিতে গতি ফেরাতে চান তিনি। শি জিনপিংয়ের সঙ্গে আলোচনার মূল বিষয়বস্তু সম্পর্কে ট্রাম্প বলেন, অন্য সব কিছুর চেয়ে আমি বাণিজ্য নিয়ে সবচেয়ে বেশি কথা বলব।

বাণিজ্য বোর্ড গঠনের পরিকল্পনা

গত বছর ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধির ফলে সৃষ্ট বাণিজ্য সংঘাত নিরসনে দুই দেশ একটি ‘বোর্ড অব ট্রেড’ বা বাণিজ্য বোর্ড গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করার পরিকল্পনা করছে। উল্লেখ্য গত বছরের শুল্ক যুদ্ধের জবাবে চীন তাদের বিরল খনিজ সম্পদের নিয়ন্ত্রণ ব্যবহার করে পাল্টা ব্যবস্থা নিয়েছিল, যার ফলে গত অক্টোবরে এক বছরের জন্য দুই দেশের মধ্যে ‘শুল্কযুদ্ধ’ বিরতি কার্যকর হয়।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ইরান ইস্যু এবং জ্বালানি সংকট

তবে বেইজিং সফরের সময়ও ট্রাম্পের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক আলোচনায় প্রাধান্য পাচ্ছে ইরান ইস্যু। যুদ্ধের কারণে কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে হরমুজ প্রণালি, আটকে পড়েছে তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসবাহী ট্যাংকার। এতে জ্বালানির দাম বেড়ে এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে, যা বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ট্রাম্পের বক্তব্য

মঙ্গলবার সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, আমাদের অনেক বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে হবে। সত্যি বলতে, ইরান সেগুলোর একটি নয়। কারণ, ইরান পরিস্থিতি পুরোপুরি আমাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

এদিকে ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান সংকট সমাধানে চীনের সহায়তা প্রয়োজন নেই। যদিও গত সপ্তাহে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বেইজিং সফর করলেও বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে চাননি তিনি।